নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাসপোর্ট জালিয়াতির অন্যতম মাথা সমরেশ বিশ্বাসের মাধ্যমে ভুয়ো নথি দিয়ে জাল পাসপোর্ট করিয়ে লালবাজারের হাতে গ্রেপ্তার অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নাগরিক পলাশ বিশ্বাস। সোমবার রাতে মধ্যমগ্রাম থেকে তাকে পাকড়াও করা হয়েছে। পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার জন্য সমরেশের কাছে পলাশ কাউকে নিয়ে গিয়েছিল কি না ধৃতকে জেরা করে জানার চেষ্টা চলছে।
Advertisement
আরপিওর জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে ১৩১ জনের নাম রয়েছে, যারা ভুয়ো নথি জমা দিয়ে পাসপোর্ট করেছিল। আবেদনের সময় জমা পড়া, আধার, ভোটার, শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট আসল কি না জানতে সেসব পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির কাছে। তাদের পাঠানো রিপোর্ট থেকে জানা যায়, পলাশ নামে এক অভিযুক্তের জমা দেওয়া সমস্ত নথিই ভুয়ো। জানা যায়, তার বাড়ি মধ্যমগ্রাম এলাকায়। এরপরই স্থানীয় থানায় খবর দিয়ে তাকে আটক করতে বলা হয়। তাকে মধ্যমগ্রাম থানায় নিয়ে আসে পুলিস। সেখানে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।
ধৃতকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বছর পাঁচেক আগে সে সীমান্ত পেরিয়ে দালাল মারফত এদেশে আসে। ওই দালালই তাকে মধ্যমগ্রাম এলাকায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় পাসপোর্ট জালিয়াতির পান্ডা সমরেশের। সে ওই অনুপ্রবেশকারীকে জানায়, টাকার বিনিময়ে ভারতীয় নথি তৈরি হযে যাবে। এমনকী পাসপোর্ট পেতেও সমস্যা হবে না। এরপর চিৎপুরের ঠিকানা দেখিয়ে তার আধার, ভোটার কার্ড, প্যান প্রভৃতি ইস্যু করা হয়। সেসব ঠিকানার অস্তিত্ব বাস্তবে অবশ্য ছিল না। এই নথি জমা দিয়ে সে পাসপোর্টের আবেদন করে। সমরেশ পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নথি আপলোড করে। এইসময় পোস্টাল অ্যাড্রেস বদলে পঞ্চসায়র এলাকা করে দেওয়া হয়। সেই কারণে ওই পাসপোর্ট গিয়ে পৌঁছয় পঞ্চসায়র পোস্ট অফিসে। সেখানে গিয়ে ওই পাসপোর্ট নিয়েছিল সমরেশ। এরপর তা তুলে দেয় পলাশকে। এই পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে কাজের জন্য যাবে বলে ঠিক করে অভিযুক্ত। পাসপোর্ট চক্রের আর এক পান্ডা মনোজ তাকে ভিসার ব্যবস্থা করে দেবে বলে জানায়। তার মধ্যে সমরেশ ও মনোজ ধরা পড়ে যাওয়ায় পুরো পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সে গা ঢাকা দিয়েছিল। তার বাড়ি ফেরার খবর আসতেই গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
ধৃতকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বছর পাঁচেক আগে সে সীমান্ত পেরিয়ে দালাল মারফত এদেশে আসে। ওই দালালই তাকে মধ্যমগ্রাম এলাকায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় পাসপোর্ট জালিয়াতির পান্ডা সমরেশের। সে ওই অনুপ্রবেশকারীকে জানায়, টাকার বিনিময়ে ভারতীয় নথি তৈরি হযে যাবে। এমনকী পাসপোর্ট পেতেও সমস্যা হবে না। এরপর চিৎপুরের ঠিকানা দেখিয়ে তার আধার, ভোটার কার্ড, প্যান প্রভৃতি ইস্যু করা হয়। সেসব ঠিকানার অস্তিত্ব বাস্তবে অবশ্য ছিল না। এই নথি জমা দিয়ে সে পাসপোর্টের আবেদন করে। সমরেশ পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নথি আপলোড করে। এইসময় পোস্টাল অ্যাড্রেস বদলে পঞ্চসায়র এলাকা করে দেওয়া হয়। সেই কারণে ওই পাসপোর্ট গিয়ে পৌঁছয় পঞ্চসায়র পোস্ট অফিসে। সেখানে গিয়ে ওই পাসপোর্ট নিয়েছিল সমরেশ। এরপর তা তুলে দেয় পলাশকে। এই পাসপোর্ট নিয়ে বিদেশে কাজের জন্য যাবে বলে ঠিক করে অভিযুক্ত। পাসপোর্ট চক্রের আর এক পান্ডা মনোজ তাকে ভিসার ব্যবস্থা করে দেবে বলে জানায়। তার মধ্যে সমরেশ ও মনোজ ধরা পড়ে যাওয়ায় পুরো পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সে গা ঢাকা দিয়েছিল। তার বাড়ি ফেরার খবর আসতেই গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।



