Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জোকার ৩ ওয়ার্ডে ‘ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট’ চালুর প্রক্রিয়া শুরু

জোকার ৩ ওয়ার্ডে ‘ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট’ চালুর প্রক্রিয়া শুরু
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এক দশকের বেশি সময় অতিবাহিত। প্রায় ১৩ বছরের মাথায় এসে জোকা অঞ্চলের তিনটি ওয়ার্ডে (১৪২, ১৪৩ ও ১৪৪) ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট চালুর প্রক্রিয়া শুরু করল পুরসভা। এর প্রাথমিক ধাপ হিসেবে পুর কমিশনারের নেতৃত্বে ‘মিউনিসিপ্যাল ভ্যালুয়েশন কমিটি’ তৈরি হয়েছে। পুরসভার সাম্প্রতিক বাজেটে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে জোকা ১ ও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে তিনটি ওয়ার্ডে ভাগ করে কলকাতা পুরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ইতিমধ্যে পুরসভার ১ থেকে ১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে চালু হয়েছে সম্পত্তি কর নির্ধারণের স্বমূল্যায়ন বা সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতি। তার ভিত্তিতে চালু হয়েছে ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট। কিন্তু ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষের প্রথম কোয়ার্টার থেকে ওই তিন ওয়ার্ডের সম্পত্তি কর আদায়ের জন্য পুরনো ‘অ্যানুয়াল রেন্টাল ভ্যালুয়েশন মেথড’ (এআরভিএম) লাগু করে মূল্যায়ন হয়েছিল। তার ছ’বছর পর ‘জেনারেল রিভ্যালুয়েশন’ (জিআর) করা হয়। তার ভিত্তিতে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের প্রথম কোয়ার্টার থেকে ওই তিনটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সম্পত্তি কর মেটাচ্ছেন। এক পুরকর্তা বলেন, ‘১৪৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া বাকি দু’টি ওয়ার্ড (১৪২ ও ১৪৩) এখনও প্রায় গ্রামাঞ্চল। সেখানে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ, নিকাশি সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো সর্বত্র তৈরি করা যায়নি এখনও। তাই পুরনো পদ্ধতিতেই কর নেওয়া হচ্ছে। এখন পরিাকঠামো উন্নয়নের কাজ কিছুটা এগিয়েছে। তাই এবার ইউনিট এরিয়া করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
Advertisement
জানা গিয়েছে, বর্তমানে জোকার ওই তিন ওয়ার্ডে সম্পত্তি করদাতার সংখ্যা (নভেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত) প্রায় ৩৫ হাজার। পুরসভা সূত্রে খবর, নবান্নের অনুমোদন নিয়ে এবার তাই জোকায় ‘সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট’ চালুর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ভ্যালুয়েশন কমিটি ইতিমধ্যে একটি বৈঠক করেছে। প্রথমে তিনটি ওয়ার্ডকে কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হবে। তারপর সেগুলি সম্পত্তি করের বিভিন্ন ক্যাটিগরিতে ফেলা হবে। ইউনিট এরিয়া পদ্ধতিতে মোট সাতটি ব্লক ও ক্যাটিগরি (এ থেকে জি) রয়েছে। ওয়ার্ডের আয়তন, এলাকায় রাস্তার হাল, পরিকাঠামো, আর্থ-সামাজিক পরিবেশ, জমির বাজারমূল্য ইত্যাদি খতিয়ে দেখে এই ব্লক ও ক্যাটিগরি ঠিক হয়। প্রতিটি ক্যাটিগরির ‘বেস ইউনিট এরিয়া ভ্যালু’ নির্ধারণ করা হবে। তারপর ওই এলাকায় নোটিস দিয়ে নাগরিকদের মতামত জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে। তার ভিত্তিতে হবে প্রয়োজনীয় সংযোজন ও সংশোধন। তারপরেই লাগু হবে ইউনিট এরিয়া অ্যাসেসমেন্ট ভিত্তিক সম্পত্তি কর।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ