নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দূষণের জেরে সাঁতরাগাছি ঝিল থেকে মুখ ফিরিয়েছে পরিযায়ী পাখির দল। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল পরিবেশ, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই ঝিলে দূষণ কমাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যথাযথ পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তরল বর্জ্য সরাসরি জলে মেশা আটকাতে নিকাশি পরিশোধন প্লান্ট (সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বা এসটিপি) তৈরির কাজ শেষ করে মুখ্য সচিবকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
Advertisement
ওই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় ফের ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হলেন পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল প্রশ্ন তুলেছিল, সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরেও কেন এসটিপি তৈরি হল না? কেনই বা সাঁতরাগাছি ঝিলের দূষণ নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি? সুভাষবাবুর আবেদনের ভিত্তিতে এই মামলায় রাজ্য সরকার, রেল, হাওড়া পুরসভা, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ সহ সবপক্ষকে অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সুভাষ দত্তর দাবি, ঝিলে দূষণ নিয়ন্ত্রণে ২০১৭ সালে নিকাশি পরিশোধন প্লান্ট তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। ওই নির্দেশের পর চার মাসের মধ্যে এসটিপি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে বলেছিল ট্রাইব্যুনাল। তারপরও সেই প্লান্ট তৈরি হয়নি।
২০১৬ সালে সাঁতরাগাছি ঝিল নিয়ে মামলা হয়েছিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে। দীর্ঘ ছ’বছর সেই মামলা চলার পর ২০২২ সালের জুলাইয়ে তার নিষ্পত্তি করে ট্রাইব্যুনাল। নতুন করে দায়ের হওয়া মামলায় সবপক্ষের হলফনামা দেখার পর আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসটিপি তৈরির কাজ শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্যকে।
২০১৬ সালে সাঁতরাগাছি ঝিল নিয়ে মামলা হয়েছিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালে। দীর্ঘ ছ’বছর সেই মামলা চলার পর ২০২২ সালের জুলাইয়ে তার নিষ্পত্তি করে ট্রাইব্যুনাল। নতুন করে দায়ের হওয়া মামলায় সবপক্ষের হলফনামা দেখার পর আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসটিপি তৈরির কাজ শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে রাজ্যকে।



