রাঁচি: ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন দলবদলু প্রার্থীরা! শাসক হোক বা বিরোধী জোট-উভয় শিবিরের প্রার্থী তালিকাতেই দলবদলুদের রমমরা। সংখ্যার বিচারে সমান সমান। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ১৩ জন দলবদলু নেতাকে টিকিট দিয়েছে। পিছিয়ে নেই জেএমএম, কংগ্রেসের শাসক জোটও। তারাও ১৩ জন দল বদলে আসা নেতাদের প্রার্থী করেছে। এই নেতাদের অনেকে নির্বাচন ঘোষণার আগে দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, অনেকে আবার পুরনো দলে টিকিট না পেয়ে অন্য দলে গিয়েছেন। এই তালিকায় চম্পই সোরেনের নাম যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বাবুলাল মারান্ডি, সীতা সোরেন, কেদার হাজরার মতো নয়জন বিদায়ী বিধায়কও।
Advertisement
এরইমধ্যে দলের অন্দরে দ্বন্দ্ব চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দুই বিজেপি ও জেএমএমের কাছে। যেমন, বিজেপি থেকে যে সব নেতারা জেএমএমে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে হেমন্ত সোরেনের দলের অন্দরে। জেএমএমের মুসলিম ও আদিবাসী কর্মীদের মতে, বিজেপির ওই নেতারা কিছুদিন আগেও ‘হিন্দুত্ব’-র প্রচার করতেন। তাঁরা দলে আসার ফলে জেএমএমের মূল আদর্শ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সমস্যা রয়েছে বিজেপির মধ্যেও। মুসলিম সমাজে জনপ্রিয়তা বা মুসলিম ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন, এমন নেতাও এখন গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হয়ে গিয়েছেন। ওই নেতারা বিজেপির পুরনো ও ‘কট্টর’ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কীভাবে পা মিলিয়ে চলবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
এক্ষেত্রে প্রাক্তন দুই মন্ত্রী কমলেশ সিং ও লুইস মারান্ডির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ২০১৯ এর বিধানসভা নির্বাচনে হুসেনাবাদ আসন থেকে এনসিপির টিকিটে জিতেছিলেন কমলেশ। কিন্তু এবার দল বদলে বিজেপিতে গিয়েছেন কমলেশ। কাজেই দলের ভোট ব্যাঙ্ক তাঁর দিকে কতটা ঝুঁকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী লুইস ২০১৪ সালে দুমকা আসনে বর্তমান মু্খ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে হারিয়েছিলেন। সেই লুইসই কিছুদিন আগে হেমন্তের দলে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। এতদিন যে দলের বিরোধিতা করে এসেছেন, এবার সেই দলের হয়ে ভোট চাইতে হবে তাঁকে।
এক্ষেত্রে প্রাক্তন দুই মন্ত্রী কমলেশ সিং ও লুইস মারান্ডির উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ২০১৯ এর বিধানসভা নির্বাচনে হুসেনাবাদ আসন থেকে এনসিপির টিকিটে জিতেছিলেন কমলেশ। কিন্তু এবার দল বদলে বিজেপিতে গিয়েছেন কমলেশ। কাজেই দলের ভোট ব্যাঙ্ক তাঁর দিকে কতটা ঝুঁকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী লুইস ২০১৪ সালে দুমকা আসনে বর্তমান মু্খ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে হারিয়েছিলেন। সেই লুইসই কিছুদিন আগে হেমন্তের দলে যোগ দিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। এতদিন যে দলের বিরোধিতা করে এসেছেন, এবার সেই দলের হয়ে ভোট চাইতে হবে তাঁকে।



