নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: উৎসাহের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম জেলা বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত হল। জেলার ১৮টি চক্রের প্রাথমিক, নিম্ন বুনিয়াদি, মাদ্রাসা ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্রের পড়ুয়ারা এতে অংশ নিয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে এই উপলক্ষ্যে প্রভাতফেরি বের করা হয়। এরপর পতাকা তুলে ও প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রতিযোগিতার সূচনা করা হয়।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশন মাঠে এদিন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আসর বসে। জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের উদ্যোগে এই পঞ্চম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগিতার থিম, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম মেধা শিক্ষার প্রসার’। মাঠের মধ্যে বিশিষ্ট শিল্পী তথা শিক্ষক তপন মাহালির ভাবনায় এই থিম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিন বার্ষিক ক্রীড়া দেখতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারাণ্ডি, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান জয়দীপ হোতা, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) শক্তিভূষণ গঙ্গোপাধ্যায়, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(প্রাথমিক) সৌমেনচন্দ্র লাহা, বিধায়ক দুলাল মুর্মু, দেবনাথ হাঁসদা সহ অন্যরা।
প্রতিযোগিতার শুরুতে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়। বিশ্বশান্তির বার্তা দিয়ে পায়রা ও বেলুন ওড়ানো হয়। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৩৪টি ইভেন্টে ৫৩২জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিশেষভাবে সক্ষম শিশুরাও অংশ নেয়। প্রতি চক্রের কোঅর্ডিনেটররা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে প্যারেড করে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন। জয়দীপবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠ্যবইয়ে ‘এআই প্রযুক্তি’ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছেন। কৃত্রিম মেধার বিষয়টির সঙ্গে খুদে পড়ুয়াদের পরিচিতি বাড়াতে এই থিম করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগে প্রথম স্থানাধিকারীরা রাজ্যস্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারাণ্ডি বলেন, রাজ্য সরকার জেলার ক্রীড়াজগতের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ করছে। তিরন্দাজি, ফুটবল অ্যাকাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। আমাদের জেলার ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও রাজ্যস্তরে খেলাধুলোয় সুনাম অর্জন করেছে। স্কুলভিত্তিক ক্রীড়া জেলা থেকে নতুন নতুন প্রতিভা তুলে আনবে বলে আমরা আশা করছি।-নিজস্ব চিত্র
প্রতিযোগিতার শুরুতে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়। বিশ্বশান্তির বার্তা দিয়ে পায়রা ও বেলুন ওড়ানো হয়। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ৩৪টি ইভেন্টে ৫৩২জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় বিশেষভাবে সক্ষম শিশুরাও অংশ নেয়। প্রতি চক্রের কোঅর্ডিনেটররা ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে প্যারেড করে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন। জয়দীপবাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠ্যবইয়ে ‘এআই প্রযুক্তি’ অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছেন। কৃত্রিম মেধার বিষয়টির সঙ্গে খুদে পড়ুয়াদের পরিচিতি বাড়াতে এই থিম করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগে প্রথম স্থানাধিকারীরা রাজ্যস্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যোগ দেবে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারাণ্ডি বলেন, রাজ্য সরকার জেলার ক্রীড়াজগতের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ করছে। তিরন্দাজি, ফুটবল অ্যাকাডেমি গড়ে তোলা হয়েছে। আমাদের জেলার ছেলেমেয়েরা জাতীয় ও রাজ্যস্তরে খেলাধুলোয় সুনাম অর্জন করেছে। স্কুলভিত্তিক ক্রীড়া জেলা থেকে নতুন নতুন প্রতিভা তুলে আনবে বলে আমরা আশা করছি।-নিজস্ব চিত্র



