সংবাদদাতা, বনগাঁ: জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেট বানিয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি হাতানোর চেষ্টা। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁর ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই ঘটনায় পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান। ছয়ঘড়িয়ার নরহরিপুরের বাসিন্দা শঙ্কর বিশ্বাস হঠাৎ একদিন জানতে পারেন তিনি নাকি ‘মৃত’। খাতায়কলমে তাঁকে মৃত দেখিয়ে তৈরি হয়েছে ওয়ারিশন সার্টিফিকেট। সেই সার্টিফিকেট দেখিয়ে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ স্থানীয় দু’জনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় পঞ্চায়েতের দ্বারস্থ হন তিনি। ১৭ জানুয়ারি ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি লিখিত অভিযোগ জানান। এমনকী জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেট-এর কপিও জমা দেন তিনি।
Advertisement
অভিযোগ পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে ছয়ঘড়িয়া পঞ্চায়েত। শুরু হয় তদন্ত। দেখা যায় যে ওয়ারিশন সার্টিফিকেটে শঙ্কর বিশ্বাসকে মৃত দেখানো হয়েছে, সেটি পুরোপুরি জাল। এটি বিগত পঞ্চায়েত প্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষের আমলে তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েতের প্যাড, সিল ও পঞ্চায়েত প্রধানের স্বাক্ষর– সবই জাল। এরপরেই পঞ্চায়েতের তরফ থেকে পেট্রাপোল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
শঙ্কর বিশ্বাস বলেন, আমি জীবিত। কিন্তু আমাকে মৃত দেখিয়ে আমার জমি হাতানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমার নামে জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেটে আমার ঠাকুরদাকে আমার ছেলে দেখানো হয়েছে। আমার স্ত্রী জীবিত। তাঁকেও মৃত দেখানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় ৩৪ শতকের একটি জমি রয়েছে শঙ্কর বিশ্বাসের। সেই জমির ছয় শতক দখলের ছক করেছিল অভিযুক্তরা। শঙ্করবাবু বলেন, প্রথমে ছয় শতক নিয়ে পরবর্তীতে পুরো জমি দখলের পরিকল্পনা ছিল ওদের।
পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, আমার আমলে এরকম কোনও সার্টিফিকেট ইস্যু হয়নি। ওটা সম্পূর্ণ জাল। পুলিস সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক। আর বর্তমান প্রধান উমা ঘোষ বলেন, আমরা বিষয়টি জানবার পর পুলিসের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।
শঙ্কর বিশ্বাস বলেন, আমি জীবিত। কিন্তু আমাকে মৃত দেখিয়ে আমার জমি হাতানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমার নামে জাল ওয়ারিশন সার্টিফিকেটে আমার ঠাকুরদাকে আমার ছেলে দেখানো হয়েছে। আমার স্ত্রী জীবিত। তাঁকেও মৃত দেখানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এলাকায় ৩৪ শতকের একটি জমি রয়েছে শঙ্কর বিশ্বাসের। সেই জমির ছয় শতক দখলের ছক করেছিল অভিযুক্তরা। শঙ্করবাবু বলেন, প্রথমে ছয় শতক নিয়ে পরবর্তীতে পুরো জমি দখলের পরিকল্পনা ছিল ওদের।
পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, আমার আমলে এরকম কোনও সার্টিফিকেট ইস্যু হয়নি। ওটা সম্পূর্ণ জাল। পুলিস সঠিক তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক। আর বর্তমান প্রধান উমা ঘোষ বলেন, আমরা বিষয়টি জানবার পর পুলিসের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। তদন্ত শুরু হয়েছে।



