নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কার্তুজ কাণ্ডে বসিরহাটের ভেড়ি থেকে একটি দোনলা বন্দুক উদ্ধার করল রাজ্য পুলিসের এসটিএফ। লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুকের দোকানের কর্মী শান্তনু সরকার ওই বন্দুক বিক্রি করেছিলেন আরেক অভিযুক্ত আব্দুল সেলিম গাজি ওরফে বাবলুকে। আব্দুল ভেড়ি পাহারা দেওয়ার জন্য ওই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র কাছে রেখেছিল। উল্লেখ্য, বর্তমানে পুলিসের হেফাজতে রয়েছে শান্তনু।
Advertisement
শান্তনুকে জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় মাছের ভেড়ি রয়েছে। সেখানে ঢুকে মাছ লুট করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। যে কারণে সেখানে পাহারাদারের হাতে দোনলা বন্দুক থাকে। ভেড়ির মালিকরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন আগ্নেয়াস্ত্রের জন্য। কারণ তাঁরা বৈধ উপায়ে আগ্নেয়াস্ত্র পাবেন না। তদন্তে উঠে এসেছে, তাঁদের অস্ত্র বিক্রি করত শান্তনু। একারণে সে নিজের বাড়িতে বসেই ভুয়ো লাইসেন্স তৈরি করত। আবার কখনও ভিন রাজ্যের ভুয়ো নথি দিয়ে জাল লাইসেন্স বানিয়েছে। রেজিস্টারে ওই নথির কথাই উল্লেখ থাকত। এভাবেই অবৈধ উপায়ে বন্দুক বিক্রি করত শান্তনু। এক একটি দোনলা বন্দুক ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে সে। বন্দুকের সঙ্গে গুলিও পাচার করত ভুয়ো নথির ভিত্তিতে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, জীবনতলায় গিয়ে সে বন্দুক ডেলিভারি করেছে। উত্তর ২৪ পরগনার কোন কোন ভেড়ির মালিক তার কাছ থেকে বন্দুক ও গুলি কিনেছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।



