সুজয় মণ্ডল, বসিরহাট: রীতি মেনে এখনও জন্মাষ্টমীর দিনেই কাঠামো পুজো দিয়ে শুরু হয়। বসিরহাটের ইটিন্ডার দে বাড়ির এই দুর্গাপুজো প্রথম শুরু করেছিলেন নরহরি দে। সেই থেকে ২৫২ বছর ধরে পুজো হয়ে আসছে। আগে এই বাড়িতে পশুবলি হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই রীতির পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর পশুবলি হয় না। তার বদলে দুর্গাপুজোর চারদিনে দেওয়া হয় ফল বলি। দে বাড়ির সদস্যরা বর্তমানে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকেন। কিন্তু পুজোর সময় সবাই তাঁরা বাড়িতে ফিরে আসেন। বসিরহাটের পুরনো পুজোগুলির মধ্যে দে বাড়িরটি অন্যতম। একটা সময় পুজোর চারদিন দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা এই বাড়িতে ভোগ খেতে আসতেন। পুজোকে ঘিরে বসতো মেলা। চারদিন কেটে যেত হইহুল্লোড় করে। এখন আর তেমন জাঁকজমক না থাকলেও দে বাড়ির সদস্যরা পুজোটা করেন পুরনো রীতিনীতি মেনেই। এই পুজো নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা সমীর ঘোষ বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এই দে বাড়ির পুজো দেখতে একটি সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর লোক আসতেন। তাঁরা থেকেও যেতেন পুজো প্যান্ডেলে। খাওয়া-দাওয়া করতেন দে বাড়ির সদস্যদের সঙ্গেই।



