Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তপ্ত জামালপুর, পুলিশের উপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর

বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুরের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চক্ষণজাদি গ্রামে এক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করছিল তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন।

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে তপ্ত জামালপুর, পুলিশের উপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুর
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুরের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার চক্ষণজাদি গ্রামে এক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করছিল তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে এক গোষ্ঠী হামলা চালায়। পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। ইটের আঘাতে তিনজন পুলিশ কর্মী জখম হন। গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া দেওয়া হয়। উদ্ধারকারী তৃণমূল কর্মীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে অন্য গোষ্ঠী। পরে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বিশাল বাহিনী নিয়ে গিয়ে ধরপাকড় শুরু করে। পুলিশ ১৭ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশ গ্রামে টহল দেয়। 

Advertisement

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বেরুগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে কয়েক মাস ধরেই বিবাদ চলছে। এর আগেও তাদের দ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান গোষ্ঠী ও অঞ্চল সভাপতির লোকজনদের মধ্যে বিবাদ চলছে। এদিন রাতে প্রধানের এক আত্মীয়কে মারধর করা হয়েছিল। তিনি বেশ কিছুদিন গ্রামে ছিলেন না। কোচবিহারে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। গ্রামে ফিরতেই হামলা করা হয়। 
পুলিশ জানিয়েছে, যে বা যারা আশান্তি পাকাচ্ছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি ফেরাতে পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। দলের এক নেতা বলেন, জেলা নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে যে বা যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে দলের একাংশ ক্ষোভ উগরে দেয়। শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেবারও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সেই ঘটনার পর থেকে প্রধানের ওই আত্মীয় এলাকায় ছিলেন না। তিনি গ্রামে ফিরতেই হামলা চালানো হয়। জামালপুর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, গ্রাম্য বিবাদের জেরে ওই ঘটনা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ