Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নাবালিকা শ্যালিকাকে যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে জামাইবাবুর জেল হেফাজত

নাবালিকা শ্যালিকাকে যৌন নির্যাতন, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে জামাইবাবুর জেল হেফাজত
  • ৩ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: নাবালিকা শ্যালিকাকে যৌন হেনস্তা ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ জামাইবাবুর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানা এলাকায়। নাবালিকার ঠাকুমার করা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে পুলিস মিঠুন মণ্ডল নামে ওই জামাইবাবুকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন।

Advertisement

প্রায় সাত বছর আগে ওই নাবালিকার দিদির সঙ্গে মিঠুন মণ্ডলের বিয়ে হয়। তাদের এক সন্তান রয়েছে। নাবালিকার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। বাবাও সঙ্গে থাকেন না। ঠাকুমার কাছে থাকত নাবালিকা। শ্যালিকাকে মাঝেমধ্যে বেড়াতে নিয়ে যেতেন মিঠুন। এক ঘরে স্ত্রী, শ্যালিকা ও সন্তানকে নিয়ে রাত্রিবাস করতেন তিনি। ভোরবেলা সংসারের কাজে উঠে পড়তেন মিঠুনের স্ত্রী। শিশু ঘুমিয়ে থাকত। সেই সময় শ্যালিকাকে নানাভাবে যৌন হেনস্তা করতেন অভিযুক্ত। এর প্রতিবাদ করে নাবালিকা। কিন্তু ঘটনার কথা কাউকে বললে তাকে ও তার দিদিকে খুন করার হুমকি দেন মিঠুন। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেও বেশ কয়েকদিনের জন্য শ্যালিকাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান জামাইবাবু। একদিন ভোরবেলা স্ত্রী সংসারের কাজে ঘরের বাইরে গেলে জামাইবাবু তাকে যৌন হেনস্তা করেন। বিবস্ত্র করে ধর্ষণের চেষ্টাও করেন। তখন চিৎকার করে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে নাবালিকা। এরপর বোনকে বাপের বাড়িতে ঠাকুমার কাছে রেখে যান দিদি। ভয়ে ঘটনার কথা কাউকে বলেনি নির্যাতিতা।
এরপর সম্প্রতি বেড়াতে যাওয়ার জন্য বোনকে ফোন করেন দিদি। তখন ঠাকুমাকে ঘটনার কথা জানায় নাবালিকা। এরপরই ঠাকুমা বনগাঁ থানায় অভিযোগ করেন। এবিষয়ে বনগাঁ আদালতের বিশেষ সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, বাবা-মা না থাকায় জামাইবাবু ছিলেন নাবালিকার অভিভাবক। তাঁর কাছেই যৌন হেনস্তা দুর্ভাগ্যের বিষয়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গাইঘাটা থানার পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম আকতারুল মোল্লা (২৭)। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবক ওই নাবালিকার ছবি এডিট করে নগ্ন ছবি তৈরি করেন। ২৪ মার্চ নাবালিকার বাড়িতে এসে সেই ছবি দেখিয়ে তাঁকে ব্লাকমেল করেন। এমনকী ওই রাতে বাড়ির পাশে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত। নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিস আকতারুল্লাকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে বুধবার আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ