Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলপাইগুড়ির পাঙ্গা নদীতে মাছের মড়ক

করলার পর এবার পাঙ্গা নদীতে মাছের মড়ক। শুক্রবার সকালে সিপাহিপাড়া এলাকায় ওই নদীতে প্রচুর মাছ মরে ভেসে ওঠে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার লোকজন নদীর পাড়ে ভিড় জমান।

জলপাইগুড়ির পাঙ্গা নদীতে মাছের মড়ক
  • ১৪ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: করলার পর এবার পাঙ্গা নদীতে মাছের মড়ক। শুক্রবার সকালে সিপাহিপাড়া এলাকায় ওই নদীতে প্রচুর মাছ মরে ভেসে ওঠে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার লোকজন নদীর পাড়ে ভিড় জমান। ভেসে ওঠা মাছ ধরতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। মাছের মড়কের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে মৎস্যদপ্তর।

Advertisement

জেলা মৎস্য আধিকারিক অমিত সরকার বলেন, জলের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিষক্রিয়ার জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আবার জল মারাত্মক দূষিত হয়ে পড়ার কারণেও এভাবে মাছ মরে ভেসে উঠতে পারে। নদীতে ভেসে ওঠা মাছ যাতে কেউ না খান, সেব্যাপারে আবেদন জানিয়েছেন মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দা বীরেন রায় বলেন, এদিন ভোর পাঁচটা থেকে পাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় মাছ মরে ভেসে ওঠা শুরু হয়। খবর পেয়ে নদীর পাড়ে এসে দেখি, এলাকার অনেকেই ভিড় জমিয়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ নদীতে ভেসে ওঠা মাছ ধরছেন। আমিও কিছু মাছ ধরি।
জলপাইগুড়ি শহরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া করলা নদীতে কিছুদিন আগে মাছের মড়ক দেখা দেয়। প্রচুর মাছ মরে ভেসে ওঠে। নদীতে ভেসে ওঠা মাছ যাতে বাজারে বিক্রি না হয়, সেব্যাপারে মাইকিং করে পুরসভা। ওই ঘটনায় করলা নদীর জল ও ভেসে ওঠা মরা মাছের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠায় মৎস্য দপ্তর। তাতে বিষক্রিয়ার বিষয়টি সামনে আসে। জেলা মৎস্য আধিকারিকের দাবি, নদীতে যাতে কেউ বিষ প্রয়োগ না করেন কিংবা ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ না মারেন, সেজন্য আমাদের মাইকিং চলে। লিফলেটও বিলি করি আমরা। তারপরও যদি এ ধরনের ঘটনা বন্ধ না হয়, সেক্ষেত্রে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটতে হবে আমাদের।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ