Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বকেয়া ১৫০ কোটি, মুখ থুবড়ে পড়েছে জল জীবন মিশন, বিক্ষোভ ঠিকাদারদের

জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জলজীবন মিশন প্রকল্পের কাজ করেও বিল পাচ্ছেন না ঠিকাদাররা। প্রায় ১৮ মাস ধরে কোনোরকম বিল হয়নি।

বকেয়া ১৫০ কোটি, মুখ থুবড়ে পড়েছে জল জীবন মিশন, বিক্ষোভ ঠিকাদারদের
  • ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের জলজীবন মিশন প্রকল্পের কাজ করেও বিল পাচ্ছেন না ঠিকাদাররা। প্রায় ১৮ মাস ধরে কোনোরকম বিল হয়নি। ফলে কর্মীদের বেতন দিতে পারছেন না ঠিকাদাররা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেই এই বকেয়া  প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। বকেয়া না পেয়ে বালুরঘাটে পিএইচই দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন ঠিকাদাররা। জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে পুরো জেলাতেই। এবার স্বাভাবিক পরিষেবাও বন্ধ করতে চলেছে ঠিকাদাররা। দ্রুত বকেয়া না মেটালে পরিষেবা বন্ধ রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ঠিকাদাররা। এদিকে জল জীবন মিশন প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালে শেষ করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও কাজ শেষ হয়নি। এনিয়েও ক্ষোভ বাড়ছে জেলায়।সারাবাংলা পিএইচই কনট্রাক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের (সিভিল) জেলা সম্পাদক রতন হালদার বলেন, আমাদের জেলায় প্রায় ১৫০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। আমরা বিলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরছি। কিন্তু পাচ্ছি না। প্রকল্পের নতুন সংযোগ দেওয়া থেকে শুরু করে পুরনো সংযোগ সংস্কার করতে বহু কর্মীর প্রয়োজন হয়। বকেয়া না পেলে আগামী মাস থেকে কর্মীদের আর বেতন দিতে পারব না। আমরা এই কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছি। 

Advertisement


পিএইচই’র জেলা এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শুভব্রত কর বলেন, এই সমস্যা রাজ্যজুড়ে রয়েছে। রাজ্য থেকে বিল না হওয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে। দপ্তর সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার মানুষের বাড়িতে জল জীবন মিশন প্রকল্পে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ার কথা। গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে মাত্র ১ লক্ষ ৮০ হাজার বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এখনও প্রায় ৪৭ শতাংশ বাড়িতে পানীয় জল যায়নি। ২০২৫ সালের মধ্যে ওই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হলেও পরে আরো একবছর বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে জোরকদমে সংযোগ দেওয়ার কাজ চলছিল। কিন্তু প্রকল্পের টাকা আর আসছে না। জানা গিয়েছে, ওই প্রকল্পের অর্ধেক টাকা কেন্দ্র দেয় এবং অর্ধেক দেয় রাজ্য। অজানা কারণে ওই প্রকল্পের বিল বন্ধ হয়েছে। টাকা না পেয়ে এবার কাজও বন্ধ করে দিলেন ঠিকাদাররা। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ