


করাচি, ২২ অক্টোবর: ভারত তথা বিশ্বের চিন্তা বাড়িয়ে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ইন্টারপোলের মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকায় থাকা জঙ্গি মাসুদ আজহার। কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল তিনি জঙ্গিদের নারী বাহিনী তৈরি করতে চলেছেন। এই বাহিনীর নাম দেওয়া হয়েছে ‘জামাত-উল-মমিনাত’। মাসুদ আজহারের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদ পুরো বিষয়টির মধ্যে রয়েছে। আর মূল দায়িত্বে রয়েছেন মাসুদের দুই বোন, সাদিয়া আজহার ও সামাইরা আজহার। সূত্রের খবর, অপারেশন সিন্দুরে ভারতের প্রত্যাঘাতের ফলে খতম হওয়া জঙ্গিদের স্ত্রীদের দলে টেনে আপাতত এই মহিলা শিবির শুরু করছে জয়েশ-ই-মহম্মদ। তাতে রয়েছে পুলওয়ামায় জওয়ানদের উপর হামলা চালানো জঙ্গিদের স্ত্রীরাও। জয়েশের বাহাওয়ালপুর, করাচি, মুজাফ্ফরাবাদ, কোটলি, হরিপুর ও মনসেরা শিবিরে পড়াশোনা করা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদেরও এই বাহিনীতে নিয়োগ করা হবে।
প্রস্তুতি শেষ এবার ময়দানে নামছে জয়েশের মহিলা ব্রিগেড। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলা জঙ্গি শিবিরে যোগ দেওয়ার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে জয়েশ। যার মধ্যে রয়েছে- অনলাইনে ট্রেনিং কোর্স। যার পোশাকি নাম তুফাত-আল-মুমিনাত। এর মাধ্যমেই মহিলাদের অনলাইনে প্রশিক্ষণের নামে মগজধোলাই করা হবে ও অর্থ সংগ্রহও করা হবে। সূত্রের খবর, অনলাইন প্রশিক্ষণ দেবেন জয়েশ জঙ্গিদের স্ত্রীরা। বিশেষ করে অপারেশন সিন্দুরে খতম হয়েছে যে জঙ্গিরা, তাদের স্ত্রীরা। মৌলবাদী এবং জেহাদি শিক্ষাদানের মাধ্যমে মহিলা ব্রিগেডে আরও বেশি সংখ্যক জঙ্গি নিয়োগ করাই অনলাইন প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।
আগামী ৮ নভেম্বর থেকে দৈনিক ৪০ মিনিটের সেশন চলবে। যে মহিলারা সেই প্রশিক্ষণে যোগ দেবেন তাদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা (পাকিস্তানি মুদ্রা) ভারতীয় মুদ্রায় ১৫৬ টাকা করে নেওয়া হবে। সেইমতো তৈরি করা হয়েছে একটি অনলাইন ফর্ম। গোটা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারতও। অনলাইনে বিষয়টি চলে আসায় ও মহিলাদের জঙ্গি শিবিরে নাম লেখানোর পদ্ধতি বেশি চিন্তার ভারতীয় গোয়েন্দা শিবিরে।