জিও হটস্টার-এ ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’-তে ফের ‘দেবী’ চরিত্রে প্রশংসিত অভিমন্যু সিং। একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনয় জীবন নিয়ে অকপট অভিনেতা।
জিও হটস্টার-এ ‘ইন্সপেক্টর অবিনাশ সিজন ২’-তে ফের ‘দেবী’ চরিত্রে প্রশংসিত অভিমন্যু সিং। একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনয় জীবন নিয়ে অকপট অভিনেতা।
• রূপান্তরকামীর চরিত্রে অভিনয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ কী?
বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ধরে রাখা কঠিন ছিল। বিশেষ ধরনের পোশাক এবং মেকআপের জন্য তৈরি হতে প্রায় দু’ঘণ্টা সময় লাগত।
• বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়?
ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আসলে একটাই, শুধু ভাষাটা বদলে যায়। অভিনয়, সংলাপ বলা বা কাজের ধরন প্রায় সব জায়গাতে এক। তবে তামিল, তেলুগু বা মালয়ালমে কাজ করার সময় ভাষাটা আলাদা করে বুঝতে হয়। পৃথ্বীরাজ সুকুমারণের সঙ্গে ‘লুসিফার পার্ট টু’-তে প্রথমবার মালয়ালমে কাজ করেছি।
• ধূসর বা নেতিবাচক চরিত্রে আপনাকে বেশি দেখা যায়...
আমি মনে করি, চরিত্রের ভিতরে কতটা গভীরতা ও কতগুলো স্তর রয়েছে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেটা গ্রে, ডার্ক বা পজিটিভ, যাই হোক না কেন, চরিত্রে গভীরতা থাকলেই একজন অভিনেতা হিসাবে সেটা আমাকে বেশি টানে।
• অক্ষয় কুমার, রজনীকান্ত-এর মতো তারকাদের সঙ্গে কাজ করে কী শিখেছেন?
অক্ষয় কুমারের কাছ থেকে ‘ডিসিপ্লিন’ শিখেছি, আর রজনীকান্ত স্যারের কাছ থেকে শিখেছি, সফল হওয়ার পরেও কী ভাবে মাটির মানুষ হয়ে থাকা যায়।
• ছোটো শহর থেকে মুম্বইয়ে এসে কেরিয়ার গড়া কঠিন ছিল?
প্রথম দিকে সবকিছুই খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল। কীভাবে টিকে থাকব, কীভাবে এগব, এই চিন্তা সবসময়ই ছিল। থিয়েটার, টিভি সিরিয়াল, দীর্ঘ সময় কাজ না থাকা, অনেক ওঠাপড়ার মধ্যেও নিজের আত্মবিশ্বাসটা ধরে রেখেছিলাম।
• কখনো মনে হয়েছিল মুম্বই ছেড়ে চলে যাবেন?
নিজের পছন্দ মতো কাজ না পেলে অনেক সময় রাগের মাথায় মনে হয়েছে সব ছেড়ে দিই। তবে কিছু সময় পরে আবার নিজেকে সামলে নিয়েছি।
• অভিনেতা না হলে কী করতেন?
সম্ভবত আমি কৃষক হতাম। ছোটোবেলায় দাদুর সঙ্গে অনেকটা সময় মাঠে-ঘাটে কাটিয়েছি। তাই কৃষিকাজের প্রতি একটা আলাদা টান সবসময়ই ছিল। (সশব্দে হেসে) ভবিষ্যতে সেটাও করতে চাই।
• আপনি নিজের কাজের সমালোচক?
আমি নিজের প্রতিটা কাজ খুব খুঁটিয়ে দেখি। তবে আমার সবচেয়ে বড় সমালোচক আমার স্ত্রী। ও যেটা বলে, একদম সোজাসাপ্টা বলে দেয়।
দেবারতি ভট্টাচার্য
• মুম্বই