নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পিএইচডি তো বটেই অধ্যাপনার চাকরিতে আবশ্যিক থাকবে না নেট বা সেটের মতো যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষা। ক্ষেত্র বিশেষে স্রেফ মাস্টার ডিগ্রি থাকলেই চলবে। এমনকী উপাচার্য নিয়োগের শর্ত হিসেবে শিক্ষাবিদ হওয়ার বা অধ্যাপক হিসেবে অন্তত ১০ বছর চাকরির অভিজ্ঞতাও আবশ্যিক থাকছে না। বিভিন্ন বেসরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পসংস্থার কর্তা, সরকারি প্রশাসনের আধিকারিকরাও চাইলে উপাচার্য হতে পারবেন। উপাচার্য-অধ্যাপক নিয়োগে এমন সব বিতর্কিত শর্ত নয়া খসড়ায় এনেছে ইউজিসি। তা নিয়ে মতামত দেওয়ার জন্য এবার আট সদস্যের নয়া কমিটি গড়ল উচ্চশিক্ষা দপ্তর।
Advertisement
সম্প্রতি ইউজিসি এই খসড়া প্রকাশ করে সমস্ত রাজ্যের মতামত চেয়েছিল। উচ্চশিক্ষা দপ্তর সেই লক্ষ্যে প্রাক্তন উপাচার্য দেবনারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাথায় রেখে কমিটি গড়েছে সোমবার। উচ্চশিক্ষা সংসদের পরামর্শদাতা দেবনারায়ণবাবু কমিটির চেয়ারম্যান। ডিপিআই তথা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য নিমাইচন্দ্র সাহা, কলেজ সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দীপক কর, প্রাক্তন উপাচার্য এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওমপ্রকাশ মিশ্র, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ও ইনফরমশন সায়েন্স বিভাগের প্রধান সবুজকুমার চৌধুরী, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৌরেন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেবজ্যোতি কোনার এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সিনিয়র ল অফিসার শিলাদিত্য চক্রবর্তী সদস্য হিসেবে রয়েছেন। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে এই কমিটি তাদের মতামত জমা দেবে দপ্তরকে। রাজ্যের তরফে ইউজিসির কাছে সেই মতামত জমা দেওয়ার শেষ দিন পাঁচ ফেব্রুয়ারি। দেবনারায়ণবাবু জানান, চিঠি পেয়েছি। আলোচনায় বসার আগে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।



