Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

এফএটিএফের নজর এড়ানোর ছক, মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়াল ইসলামাবাদ

প্রকাশ্যে পদক্ষেপ, যদিও গোপনে জামাই আদর! জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে নিয়ে পাকিস্তানের ভণ্ডামি অব্যাহত।

এফএটিএফের নজর এড়ানোর ছক, মাসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়াল ইসলামাবাদ
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: প্রকাশ্যে পদক্ষেপ, যদিও গোপনে জামাই আদর! জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে নিয়ে পাকিস্তানের ভণ্ডামি অব্যাহত। মোস্ট ওয়ান্টেড এই জঙ্গিনেতার মাথার দাম আচমকাই ২০ লক্ষ টাকা বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করল পাক তদন্তকারী সংস্থা এফআইএ। আগামী অক্টোবরে প্লেনারি বৈঠকে বসবে আর্থিক তছরুপ ও সন্ত্রাসে আর্থিক মদতে আন্তর্জাতিক নজরদার সংস্থা ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)। তার আগে পাকিস্তানের ওই পদক্ষেপকে পিঠ বাঁচানোর কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে। প্লেনারি থেকে এফএটিএফ যাতে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা না নেয়, তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের এই লোকদেখানো পদক্ষেপ বলে খবর।

Advertisement

বহু কাঠখড় পুড়িয়ে ২০২২ সালে এফএএফটি-র ধূসর তালিকা থেকে রেহাই পেয়েছিল ইসলামাবাদ। সেজন্য সন্ত্রাসে মদত রুখতে ৩৪ দফা পদক্ষেপ গ্রহণে বাধ্য হয়েছিল তারা। ২০২১ সালে মাসুদের মাথার দাম ৫০ লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান। যদিও ইসলামাদ মাসুদের সেদেশে থাকার কথা বরাবর অস্বীকার করে এসেছে। তাদের দাবি, আফগানিস্তানে গাঢাকা দিয়েছে মাসুদ। যদিও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছে তথ্য রয়েছে, মাসুদ পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে নবাবশাহতে লুকিয়ে। পুলওয়ামা সহ ভারতে বহু জঙ্গি হামলার নেপথ্যে রয়েছে মাসুদ। ‘অপারেশন সিন্দুরে’র সময় ভারতের এয়ারস্ট্রাইকে পাকিস্তানের মাটিতে তার জঙ্গিগোষ্ঠীর বাহওয়ালপুরের সদর দপ্তর ‘মার্কাজ সুভানআল্লা’ গুঁড়িয়ে গিয়েছিল। মাসুদের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল বলেও খবর। 
নতুন করে এফএটিএফের শাস্তি এড়াতেই পাকিস্তান ২০২৬ সালের রেডবুকে নাম থাকা মাসুদের মাথার দাম বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করল। তবে একইসঙ্গে জানা যাচ্ছে, ২০০৮ সালের মুম্বই হামলায় জড়িত হিসাবে দুই অভিযুক্তের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবারের রেডবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নাম রয়েছে মুম্বই হামলায় জড়িত লস্কর-ই-তোইবার মোট ১৯ জনের। তাদের মধ্যে ১৭ জনের সম্পর্কে ছবি সহ বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। যদিও বাকি দু’জনের নাম থাকলেও এবারের রেডবুকে ছবি ও অন্যান্য বিবরণ মুছে ফেলা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন মহম্মদ খান। অপরজন আবদুল রহমান। ২০২১ সালের তালিকায় দু’জনেরই ছবি সহ বিবরণ ছিল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ