Bartaman Logo
১৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

নেপথ্যে আইএসআই, অপারেশন সিন্দুরে ধ্বংস জঙ্গিঘাঁটি ফের গড়ে তুলছে পাকিস্তান

পহেলগাঁও হামলার সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে অভিযান চালিয়েছিল ভারত। অপারেশন সিন্দুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ন’টি জঙ্গি ডেরা।

নেপথ্যে আইএসআই, অপারেশন সিন্দুরে  ধ্বংস জঙ্গিঘাঁটি ফের গড়ে তুলছে পাকিস্তান
  • ২৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পহেলগাঁও হামলার সপ্তাহ দুয়েকের মাথায় পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে অভিযান চালিয়েছিল ভারত। অপারেশন সিন্দুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ন’টি জঙ্গি ডেরা। মাঝে কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকদিন। নিজেদের ‘ধোয়া তুলসিপাতা’ প্রমাণ করতে জয়ের মিথ্যা প্রচার, আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিনিধি দল পাঠানো সহ একের পর এক পদক্ষেপ করেছে শাহবাজের দেশ। তবে পুরোটাই যে আইওয়াশ, তা ফের প্রমাণিত হল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, আইএসআইয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অপারেশন সিন্দুরে ধ্বংস হওয়া জঙ্গিঘাঁটিগুলির পুনর্নির্মাণ শুরু করেছে পাকিস্তান। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে লঞ্চপ্যাড ও জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ শিবির। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থ ও লোকবল দিয়ে সাহায্য করছে পাকিস্তানের সরকার ও সেনা।

Advertisement

বর্তমানে লুনি, পুটওয়াল, তাইপু পোস্ট, জামিলা পোস্ট, ছোটা চক সহ একাধিক এলাকায় জঙ্গিঘাঁটির পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলি আকারে ছোট। তবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে অনেকটা এগিয়ে। ড্রোন ও স্যাটেলাইটের নজরদারি এড়াতে নিয়ন্ত্রণরেখার আশপাশে ঘন জঙ্গলের মধ্যে রয়েছে এই ক্যাম্পগুলি। এখানেই শেষ নয়। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে কেল, সারডি, দুধনিয়াল সহ ১৩টি জায়গা ও জম্মু সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর চারটি জায়গায় লঞ্চপ্যাডের পুনর্নির্মাণ করছে পাক সেনা ও আইএসআই। এই চারটি জায়গা হল মাসরুর বড়া ভাই, চাপরার, লুনি ও শাকরগড়। উল্লেখ্য, শাকরগড়ে একটি ড্রোন সেন্টারও রয়েছে।
এবার নতুন রণকৌশল নিয়েছে আইএসআই। এবার বড় জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে ছোট ছোট শিবিরে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যাতে একটি জায়গায় অধিক সংখ্যক জঙ্গি না থাকে। বিভিন্ন ডেরায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে জঙ্গিদের রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর জেরে কোনও হামলা হলেও বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। প্রতিটি মিনি ক্যাম্পের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাহারায় থাকবে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত পাকিস্তানি সেনার জওয়ান। থাকবে থার্মাল সেন্সর, লো-ফ্রিকোয়েন্সি রেডার সিস্টেম ও অ্যান্টি ড্রোন টেকনোলজিও।
সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ভাওয়ালপুরে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সেখানে হাজির ছিল জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তোইবা, হিজবুল মুজাহিদিন ও টিআরএফের শীর্ষ কমান্ডাররা। উপস্থিত ছিল আইএসআইয়ের কর্তারাও। সেই বৈঠকেই জঙ্গিঘাঁটি পুননির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ও লোকবল সরবরাহ করার কথা জানিয়েছে আইএসআই ও পাক সরকার। শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তান এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (এডিবি) থেকে যে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে, তার একটি অংশ জঙ্গিঘাঁটি গড়ার কাজেই ব্যয় করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ