চেন্নাই: একসময় লাল বলের ক্রিকেটে অনীহার জন্যই বোর্ডের সেন্ট্রাল চুক্তিপত্র থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল। কেরিয়ারে নেমে এসেছিল ঘোর অনিশ্চয়তা। রবিবার দলীপ ট্রফির ফাইনালের প্রথম দিনে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে পূর্বাঞ্চল ক্যাপ্টেন ঈশান কিষানের শতরান সেজন্যই তাৎপর্যপূর্ণ। চিপকে এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পূর্বাঞ্চল ৪ উইকেটে তুলল ৩৮৫ রান। ঈশান ১৩৫ বলে আক্রমণাত্মক ১১১ করে ক্রিজে রয়েছেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৪টি চার ও ১টি ছক্কা।
ঈশান ছাড়া পূর্বাঞ্চলের বড়ো ইনিংস গড়ার পথে অবদান রেখেছেন শিখর মোহন (৮৫), অভিমন্যু ঈশ্বরণ (৭২), কুমার কুশাগ্র (৬৩ ব্যাটিং) ও বৈভব সূর্যবংশী (৪৪)। ওপেনিংয়ে অভিমন্যুর সঙ্গে বৈভবের জুটিতে উঠেছিল ১০০ রান। ১৫ বছর বয়সি বিস্ময় কিশোর মারে ৫টি চার ও ১টি ছক্কা। দক্ষিণাঞ্চল অধিনায়ক তিলক ভার্মার স্লেজিংয়ের পরই মনঃসংযোগ হারিয়ে আউট হয় বৈভব। তবে শতরান নিশ্চিত দেখাচিছল অভিমন্যুর। কিন্তু শিখরের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে জন্মদিনে সেঞ্চুরি মিস করেন। তবে নির্বাচকদের সামনে বার্তা হয়ে থাকল এই ইনিংস। বিরাট সিংয়ের জায়গায় দলে আসা শিখর মোহনকেও আত্মবিশ্বাসী লাগছিল। কিন্তু তিন অঙ্কের রান মিস তাঁরও। সুদীপ কুমার ঘরামি (৪) অবশ্য ব্যর্থ।
তবে সুযোগের সদ্ব্যবহারে ভুল করেননি ঈশান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটা তাঁর দশম শতরান। এই পর্যায়ে ৪ হাজার রানও পূর্ণ হল এদিন। ২৪১ রানে চার উইকেট পড়ার পর কুশাগ্রর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে ঈশান যোগ করেছেন ১৪৪, যা চালকের আসনে বসিয়েছে পূর্বাঞ্চলকে। অন্যদিকে, মহম্মদ সিরাজের অন্তর্ভুক্তিতেও ভেদশক্তিহীন দেখিয়েছে দক্ষিণাঞ্চলকে।