নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পার্টি অফিসে ঢুকলেন, পুষ্পবৃষ্টিতে স্নান করলেন এবং উত্তরীয়টিকে গামছা স্টাইলে মাথার উপর ঘুরিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, তিনি বিহারের পালস বোঝেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই পালস তিনি ঠিক কবে থেকে বুঝেছেন? বিহারে এসআইআরের সিদ্ধান্ত যেদিন ঘোষণা হল, সেদিন থেকে? এই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে সীমাঞ্চল। অর্থাৎ, বিহারের আরারিয়া, কাটিহার, কিষানগঞ্জ এবং পূর্ণিয়া জেলা। সবই বাংলা লাগোয়া। মোট আসন সংখ্যা ২৪। বিহারের সংখ্যালঘু জনসংখ্যার বেশিরভাগটাই এখানকার বাসিন্দা। গত কয়েকটা ভোটের নিরিখে বিরোধী মহাজোটের শক্তিস্থল। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পর দেখা যাচ্ছে, গোটা সীমাঞ্চল থেকে বিরোধীরা ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। একপ্রকার গেরুয়া বিপ্লব বললেও ভুল বলা হবে না। কারণ কী? ১০ হাজার টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাওয়া মহিলাদের ভোট? বিকাশ? জাতিগণনা? নাকি এসআইআর? শেষ সম্ভাবনাটা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সীমাঞ্চলে পাঁচ বছর আগে বিজেপি এবং জেডিইউয়ের মোট আসন সংখ্যা ছিল ১২টি। বিজেপি আট এবং নীতীশ চারটি। এবার দেখা যাচ্ছে, এনডিএ দু’টি আসন বাড়িয়ে নিয়েছে। আসাদউদ্দিন ওয়েইসি গতবার পাঁচটি আসন পেয়েছিল। এবারও তাই। অর্থাৎ, বিপর্যয় হয়েছে আরজেডি (১) এবং কংগ্রেসের (৪)। সীমাঞ্চল ছাড়া এসআইআরে সবথেকে বেশি ১২ শতাংশ নাম বাদ যাওয়া গোপালগঞ্জ জেলার ৬টি আসনের সবক’টিই জিতেছে এনডিএ। এখানেও তারা বাড়িয়েছে দু’টি আসন। ফলে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, এটা এসআইআর এফেক্ট নয় তো?



