Bartaman Logo
২৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গণবিক্ষোভের আঁচ পেয়েই কি সিতাইমুখী হচ্ছেন না সাংসদ জগদীশ!

গণবিক্ষোভের ভয়ে সিতাইতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।

গণবিক্ষোভের আঁচ পেয়েই কি সিতাইমুখী হচ্ছেন না সাংসদ জগদীশ!
  • ২৫ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারে থেকেও বুধবার সিতাইতে নিজের বাড়িতে গেলেন না সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। সিতাইতে গণবিক্ষোভের মুখে পড়ার ভয়েই তিনি এমনটা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার প্রায় দেড় মাস পর গত মঙ্গলবার তিনি কোচবিহারে ফেরেন। কিন্তু তিনি কোচবিহারে ফিরেছেন শোনার পরেই সিতাইতে বহু মানুষকে ডিম হাতে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার তিনি আর সিতাইমুখী হননি। নিউ কোচবিহার স্টেশনে নাতিকে কোলে নিয়ে বেরিয়ে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় গাড়িতে উঠে সোজা  ফ্ল্যাটে যাওয়ার পর তাঁকে আর দেখা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া সেখানে বসে জল মাপছেন। পরিস্থিতি একটু ঠান্ডা হলেই তিনি পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে সিতাই অভিমুখে যাত্রা করবেন। 

Advertisement

এ বিষয়ে জানার জন্য এদিন জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়াকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। মেসেজ পাঠানো হলেও তার কোনো উত্তর দেননি। 
উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। এরপর দিনকয়েক থাকার পর তিনি ও বিধায়ক সংগীতা রায় সিতাই ছেড়ে চলে যান। এবিষয়ে তাঁরা বারবার জানিয়েছিলেন, ছেলের অসুস্থতার কারণে দিল্লিতে আছেন। এরপরেই জাতীয় ও রাজ্যস্তরের রাজনীতিতে তৃণমূলের ভাঙন শুরু হয়। তৃণমূল থেকে জয়ী ২০ জন সাংসদ দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সঙ্গে বৈঠক করে এনসিপিআইতে যোগ দেন। এদিকে, তৃণমূল বিধায়ক  সংগীতা রায় দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরে তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যোগ দেন। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই মঙ্গলবার জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া পুত্র, পুত্রবধূ ও নাতিকে নিয়ে কোচবিহারে ফেরেন। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে সিতাই ফিরতে দেখা যায়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ