নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিরাট কোহলির আচমকা টেস্ট অবসরের কারণ এখনও অজানা। উঠে আসছে নানা তত্ত্ব। শোনা যাচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝপথেই অধিনায়ক করতে চাওয়া হয়েছিল কোহলিকে। কারণ, রোহিত শর্মার উপর আস্থা ছিল না নির্বাচকদের। অ্যাডিলেড টেস্টের পর বিরাটের সঙ্গে এই বিষয়ে একপ্রস্ত আলোচনাও হয়েছিল। ভিকে রাজিও ছিলেন দায়িত্ব নিতে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তা আর গতি পায়নি। বরং বোর্ড এবং নির্বাচকদের আচরণ পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। সিডনি টেস্টে রোহিত নিজেকে সরিয়ে নেওয়ায় অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরাহ। তার উপর সিরিজে বিপর্যয়। বোর্ড মোটামুটি ঠিক করে নিয়েছিল, ভবিষ্যতের কথা ভেবে তরুণ কোনও অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে। বিসিসিআই কর্তাদের দ্বিচারিতায় ভীষণ চটেছিলেন ভিকে। সূত্রের খবর, কোহলি নাকি ইংল্যান্ড সফরেও নেতৃত্ব পাওয়ার আশা করেছিলেন। কিন্তু বোর্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাঁরা অন্য কিছু ভাবছেন। তাই রোহিত অবসর নেওয়ার পরেই কোহলিও টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ই-মেল পাঠান নির্বাচকদের। ইংল্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ সফরে তাঁর অনুপস্থিতি যে দলকে বিপদে ফেলবে, সেটা জানতেন বিসিসিআই কর্তারা। তাই কোহলিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বলা হয়েছিল। নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরের এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন ভিকে।
এই তত্ত্ব কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা বিচার্য বিষয়। এই বিষয়ে কোহলি মুখ না খুললে পুরো ব্যাপারটা নিয়েই ধোঁয়াশা থাকবে। তবে কোহলির যে টেস্ট অবসরের কোনও পরিকল্পনা ছিল না সেটা জানিয়েছেন দিল্লির রনজি কোচ শরণদীপ সিং। তাঁর কথায়, ‘দিল্লির হয়ে রনজি খেলার সময় ওর সঙ্গে কথা বলে জেনেছিলাম, ইংল্যান্ড সফর নিয়ে ও কতটা সিরিয়াস। হঠাৎ করে ও অবসর নিল কেন, সেটা বুঝে উঠতে পারছি না।’



