Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নদীতে আবর্জনা ফেলা রুখতে সেতুর রেলিংয়ে লোহার জাল!

রাতের অন্ধকারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কাকদ্বীপের কালনাগিনী নদীতে আবর্জনা ফেলে দিয়ে চলে যেত। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নিয়ে অতীতে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে।

নদীতে আবর্জনা ফেলা রুখতে সেতুর রেলিংয়ে লোহার জাল!
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: রাতের অন্ধকারে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কাকদ্বীপের কালনাগিনী নদীতে আবর্জনা ফেলে দিয়ে চলে যেত। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নিয়ে অতীতে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে। এই অভিযোগ পাওয়ার পর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করতে বেশ কয়েকবার মাইকিং করা হয়েছিল। এমনকী, নদীতে আবর্জনা ফেললে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও নদীতে নোংরা ফেলার প্রবণতা রোধ করা যাচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত নিরুপায় হয়েই প্রশাসন সেতুর দু’ধারে রেলিংয়ের উপর লোহার জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় এক বাসিন্দা শিবদাস ভট্টাচার্য কথা প্রসঙ্গে বলেন, ‘নদীতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাতের অন্ধকারে নদীতে আবর্জনা ফেলে দিয়ে চলে যেত। অথচ পঞ্চায়েতের সাফাই কর্মীরা প্রতিদিনই বাজারের প্রতিটি দোকান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। তাও এই কুকর্ম কোনওভাবে বন্ধ করা যাচ্ছিল না। প্রশাসন সেতুর দু’ধারে এখন লোহার জাল বসিয়ে খুব ভালো কাজ করেছে। এর ফলে কেউ আর নদীতে নোংরা ফেলতে পারবে না। চৌরাস্তার মোড়ে কালনাগিনী নদীর উপর আরও একটি ছোট সেতু রয়েছে। ওই সেতুর দু’ধারও জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া উচিত। তাহলে নদী আবর্জনামুক্ত হবে।’
প্রতাপাদিত্যনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বনাথ ঘোড়ই বলেন, ‘আইন করেও নদীতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত সেতুর দু’ধারে দশ ফুট উঁচু লোহার জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, এবার কেউ আর নদীতে নোংরা ফেলতে পারবে না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ