


তেহরান: প্রত্যাঘাত শুরু করল ইরান! ফলে আন্তর্জাতিক মহলে উস্কে উঠছে মহাযুদ্ধের জল্পনা। তেহরানের পরমাণু কেন্দ্রে আমেরিকার হামলার পর বেজায় চটেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছিলেন, শত্রুরা শাস্তি পাচ্ছে আরও পাবে। তারপরেই আজ, সোমবার রাত থেকেই ইরানের হামলা শুরু।
রাতে কাতারের রাজধানী দোহাতে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তেহরান। যদিও সবকটি রুখে দিয়েছে কাতার, এমনটাই দাবি। তবে তাতেই থেমে নেই ইরান, সূত্রের খবর ইরাকেও একইভাবে মার্কিন সেনার ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। যদিও ইরানের স্পষ্ট বার্তা, এই হামলা আমেরিকার বিরুদ্ধে। কিন্তু তেহরানের সেই কথা চিঁড়ে ভিজছে না। কাতার গোটা বিষয়টি মোটেই ভালো চোখে দেখছে না বলে দাবি। ইতিমধ্যেই কাতার, কুয়েত, বাহারিন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ওই দেশগুলিতেও রয়েছে মার্কিন সেনার ঘাঁটি। সেখানেও ইরান এদিন রাতে হামলা চালাতে পারে। আর যদি তেমনটা হয় তাহলে পারস্য উপসাগরের দুই তটভূমিতে অশান্তি চরমে পৌঁছবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
কিন্তু আচমকাই ইরান এত দ্রুত হামলার পথে কেন গেল? বিশেষজ্ঞদের অনুমান, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া বা চীনের মতো কোনও বড় শক্তিশালী দেশ তেহরানের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে। তাই এই হামলা।
প্রসঙ্গত, এদিনই মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। তারপরেই রাতে আমেরিকার বন্ধু রাষ্ট্রগুলিতে মার্কিনি সেনার ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চিন্তা বাড়াচ্ছে গোটা বিশ্বে। এখন আমেরিকা এর জবাব কীভাবে দেয় তার দিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।