


মানামা, ২৮ ফেব্রুয়ারি: তেহরানে হামলার পালটা দিল ইরান। মিসাইল হামলায় তছনছ হয়ে গেল বাহরিনে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটি। তেহরানে ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলা চালানোর পরই জবাব দিতে শুরু করে ইরান। যার জেরে কার্যতই উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। এর আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল খামেনেই প্রশাসন। জানিয়েছিল, মিসাইল হামলার যথাযথ উত্তর দেওয়া হবে। তার একঘণ্টার মধ্যেই বাহারিনের মানামায় মিসাইল হামলা চালাল তেহরান। আমেরিকার নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে আছড়ে পড়ে মিসাইল। এই মার্কিন নৌবহর মূলত পশ্চিম এশিয়া, পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর এবং আরব সাগরে টহলদারি চালায়। তার পাশাপাশি আমেরিকার শত্রু দেশগুলির উপর নজরদারির কাজও করে। প্রয়োজনে আক্রমণ চালানোর জন্যও প্রস্তুত থাকে। ফলে কৌশলগতভাবে এই মার্কিন নৌঘাঁটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিন তেহরানের পাশাপাশি ইজরায়েলের দিকেও ৩০-৩৫টি মিসাইল ছুঁড়েছে ইরান। অন্যদিকে, তেহরানের পাশাপাশি কুয়েত, জর্ডন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ফলে সেদেশগুলিতেও হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিকেই লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইরান। এই তালিকায় রয়েছেন মোট ৬টি দেশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কাতারের রাজধানী দোহাতেও মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। এমনকী দুবাইতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনওরকম বক্তব্য প্রকাশ করেনি ইরান প্রশাসন।