Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হরমুজে ইরানের মাইন, পিছু হটল মার্কিন নেভিও

‘পশ্চিম এশিয়া থেকে এক লিটার তেলও বেরোতে দেব না!’ ২৪ ঘণ্টা আগেই হুংকার দিয়েছিল ইরান। আর তারপরই সামুদ্রিক মাইন বসানো শুরু হয়েছে বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের রুট হরমুজ প্রণালীতে।

হরমুজে ইরানের মাইন, পিছু হটল মার্কিন নেভিও
  • ১২ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিউ ইয়র্ক ও নয়াদিল্লি: ‘পশ্চিম এশিয়া থেকে এক লিটার তেলও বেরোতে দেব না!’ ২৪ ঘণ্টা আগেই হুংকার দিয়েছিল ইরান। আর তারপরই সামুদ্রিক মাইন বসানো শুরু হয়েছে বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহের রুট হরমুজ প্রণালীতে। বুধবার হরমুজের কাছেই ড্রোন-মিসাইল হামলা হয়েছে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে। মারা গিয়েছেন দুই ভারতীয়। খোঁজ মিলছে না আরও একজনের। এই পরিস্থিতিতে একমাত্র ভরসা ছিল মার্কিন নৌবাহিনী। কিন্তু তারাও ভারতের শিপিং কোম্পানি সহ বিশ্বের সমস্ত বৃহৎ সমুদ্র পরিবহণ সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছে, প্রহরা দেওয়া সম্ভব নয়। ইঙ্গিত স্পষ্ট— তেল আমদানি স্তব্ধই হতে চলেছে। মার্চেন্ট নেভি সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ভারতের জাহাজ মন্ত্রক। 

Advertisement

মঙ্গলবার দুপুরে (মার্কিন সময়) আমেরিকার সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, গোয়েন্দা সূত্রে খবর হরমুজ প্রণালীতে কয়েক ডজন মাইন বসানো হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয়। কয়েকঘণ্টার মধ্যে হুঁশিয়ারি আসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফেও। সমাজমাধ্যমে তিনি জানিয়ে দেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে ইরান যদি কোনো মাইন পুঁতে থাকে, অবিলম্বে তা সরিয়ে নিক! যদি কোনো কারণে মাইন পুঁতে রাখা হয়, তবে ইরানের পরিণতি হবে ভয়ংকর।’ তবে হরমুজে তেহরান মাইন বসাচ্ছে এমন কোনো রিপোর্ট নেই বলেও দাবি করেন ট্রাম্প। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডও একাধিক ভিডিয়ো প্রকাশ করে জানায়, মাইন পোঁতার কাজে ব্যবহৃত ইরানের ১৬টি নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে। পরে ট্রাম্পও একই দাবি করেন। মঙ্গলবার সকালেই মার্কিন বিদ্যুৎ সচিব ক্রিস রাইট এক্স হ্যান্ডলে দাবি করেছিলেন, একটি তেলের ট্যাঙ্কারকে হরমুজ পার করিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। তার জেরে বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমতে শুরু করে। যদিও পরে সেই দাবি উড়িয়ে দেয় হোয়াইট হাউস এবং ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। পোস্টটি মুছে দেন ক্রিস। এরপরে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে তেলের দর।

সম্পর্কিত সংবাদ