ওয়াশিংটন: অবশেষে ইরান যুদ্ধে ইতি! এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরান সরাসরি যোগাযোগ করেছে বলেও দাবি তাঁর। এব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা সমঝোতা করতে চায়। দেখা যাক কী হয়!’ যদিও এই দাবি নিয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে একদিন আগেই ইরানের আধিকারিক মোহসেন রিয়াজাই জানিয়েছেন, যাবতীয় শর্ত পূরণ না হলে আমেরিকার সঙ্গে কোনো আলোচনাই হবে না। ইরানের প্রাক্তন কূটনীতিক আব্বাস খামেয়ারও ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না, সাম্প্রতিককালে যে সব চেষ্টা হয়েছে তার বাইরে সংঘর্ষবিরতির জন্য নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করছেন, ইরান সংঘর্ষচুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে। একথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বিষয়গুলি এভাবে ঘটেও না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে পশ্চিম এশিয়ার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তালিকায় রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, বাহরিন, কুয়েত ও ওমান। ওমানের রাজধানী মাসকটেও হুথিদের সঙ্গেও মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক হয়েছে বলে খবর। যদিও সেই আলোচনার বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে ইয়েমেনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, হুথি আশ্বাস দিয়েছে ২০২৫ সালের সংঘর্ষবিরতি মেনে তাঁরা কোনো মার্কিন জাহাজে আক্রমণ শানাবে না।
অন্যদিকে ইরানে আমেরিকার বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ‘যথেষ্ট প্রমাণ’ রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার সংস্থার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। তাঁদের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন আক্রমণ শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে মার্কিন বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের একাধিক প্রমাণ মিলেছে। একাধিক হামলায় সাধারণ নাগরিকদের আহত হওয়া, এমনকি মৃত্যুর ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে।’