


ওয়াশিংটন: ইরানের বিরুদ্ধে জয় মিলেছে। ওরা কথা দিয়েছে কোনোদিন পরমাণু অস্ত্র তৈরি করবে না। মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিন ওয়াশিংটনে তিনি জানান, ইরানের প্রশাসনে পালাবদল হয়ে গিয়েছে। নতুন নেতারা দায়িত্ব নিয়েছেন। যুদ্ধ শেষ করার জন্য এখন আলোচনা চলছে। চুক্তির জন্য ইরান এখন মরিয়া। ইরানের তরফে যাঁরা আলোচনা চালাচ্ছেন, তাঁরা আমেরিকাকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার’ দিতে চলেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। সেই ‘পুরস্কার’ হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত তাঁর। জয়ের জন্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার সহ উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলির প্রশংসা করেন তিনি। যদিও ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়ে ইরান এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
মুখে যাই বলুন, ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে আমেরিকার পকেট থেকে কয়েকশো কোটি ডলার বেরিয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ভোলবদল করেছেন ট্রাম্প! যুদ্ধের দায় সহযোগীর ঘাড়ে ঠেলছেন তিনি! ট্রাম্পের মন্তব্যে এমনই জল্পনা দানা বেঁধেছে। তাঁর দাবি, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথই আমেরিকাকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামতে বলেছিলেন। সোমবার মেম্ফিস শহরে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালে ট্রাম্প বলেন, ‘পিট, আমার মনে হয় তুমিই প্রথম হামলার কথা বলেছিলে। ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র এসে যাবে, সেটা তুমি চাওনি। তাই যুদ্ধের কথা বলেছিলে। আসলে পশ্চিম এশিয়ায় আমাদের একটা সমস্যা ছিল। আর আমাদের কাছে দু’টি বিকল্প ছিল। হয় সরে আসা নয়তো সশস্ত্র অভিযানের মধ্য দিয়ে ওই বিপদ নির্মূল করা।’ যদিও ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর হেগসেথের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ট্রাম্পের পাশেই চুপ করে বসেছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব।