আমেদাবাদ: দুরন্ত ছন্দে শুভমান গিল। অধিনায়কের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করেই শুক্রবার মোতেরায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ভিত গড়েছিল গুজরাত টাইটান্স। শেষ পর্যন্ত ৩৮ রানে জিতলেন শুভমান গিলরা। গুজরাতের ৬ উইকেটে ২২৪ রানের জবাবে হায়দরাবাদ থামল ১৮৬ রানে। ৩৮ বলে ৭৬ করলেন গিল। তাঁর ইনিংস সাজানো ১০টি চার ও দুটো ছক্কায়। জস বাটলার (৩৭ বলে ৬৪), সাই সুদর্শন (২৩ বলে ৪৮) থাকলেন সঙ্গতে। কাজে এল না ব্যাট হাতে হায়দরাবাদের অভিষেক শর্মার (৭৪) দুরন্ত লড়াই।
৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্টে রয়েছে গুজরাত। প্লে-অফের সম্ভাবনা জোরালো করতে জেতা দরকার টাইটান্সের। অন্যদিকে, সমসংখ্যক ম্যাচে মাত্র ৬ পয়েন্টে থাকা হায়দরাবাদের অবস্থান প্লে-অফ থেকে অনেক দূরে। এই আবহেই টস জিতে গুজরাতকে ব্যাট করতে পাঠান হায়দরাবাদ অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে তাঁর সিদ্ধান্তকে শুরুতেই ভুল প্রমাণ করেন দুই ওপেনার। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ওঠে ৮২ রান। শুভমান ও সুদর্শন প্রথম উইকেটে তোলেন ৮৭। উল্লেখ্য, চলতি মরশুমে গুজরাতকে টানছেন এই দুই ওপেনারই। সুদর্শন (৪৮) ফেরেন হাফ-সেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে। এখন অরেঞ্জ ক্যাপের মালিক তিনিই (৫০৪ রান)। সুদর্শনের পর রয়েছেন যথাক্রমে সূর্যকুমার যাদব (৪৭৫), বাটলার (৪৭০), গিল (৪৬৫), বিরাট কোহলি (৪৪৩)।
যেভাবে খেলছিলেন, তাতে শতরান সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন গিল। কিন্তু বিতর্কিত ভাবে রান আউট হন তিনি। তবে তার আগে হায়দরাবাদ বোলারদের রীতিমতো নাস্তানাবুদ করেন। মহম্মদ সামি (০-৪৮), কামিন্সদের (১-৪০) অসহায় দেখায় গিলের সামনে। তিনি ফেরার পর গুজরাতকে ভরসা জোগান বাটলার। ওয়াশিংটন সুন্দর (২১), রাহুল তেওয়াটিয়া (৬), রশিদ খান (৬) অবশ্য পরের দিকে রান পাননি। শাহরুখ খান অপরাজিত থাকেন ৬ রানে। হায়দরাবাদের সফলতম বোলার জয়দেব উনাদকাট (৩-৩৫)।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেছিলেন অভিষেক। তবে ৭৪ তিনি ফিরতেই সব লড়াই শেষ হায়দরাবাদের। ট্রাভিস হেড (২০),হেনরিখ ক্লাসেন (২) ও ঈশান কিষান (১৩) ব্যর্থ। রান পেলেন না অঙ্কিত ভর্মা (৩), কামেন্দু মেন্ডিসরা (০)। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৮৬ রানে দাড়ি পড়ল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ইনিংসে।