নয়াদিল্লি: ঠিক কবে শুরু হতে পারে আইপিএল? দিনভর আলোচনার পরও অবশ্য স্পষ্ট হল না ছবি। সংঘর্ষবিরতির পর অবশ্য কোটিপতি লিগ ফের চালু করা নিয়ে উদ্যোগী বোর্ড। রবিবার শীর্ষকর্তারা এ নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন। সূত্রের খবর, খুব সম্ভবত ১৬ বা ১৭ মে লখনউয়ে ফের চালু হবে টুর্নামেন্ট। তবে কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে মন খারাপ করার মতো খবরও থাকছে। ইডেন থেকে সরে যেতে পারে আইপিএলের ফাইনাল। তবে অন্য কোনও কারণে নয়, প্রকৃতির সম্ভাব্য বাধাতেই। আবহাওয়ার পূর্বাভাস যা, তাতে ফাইনালের সময় বড় ধরনের ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বোর্ড সেই ঝুঁকি নিতে চাইছে না একেবারেই। এমনিতেই ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষের কারণে বন্ধ রয়েছে আইপিল। তাই আর কোনও ব্যাঘাতের ঝুঁকি নিতে চাইছে না বোর্ড। তাই বৃষ্টির সম্ভাবনা জেনেও ইডেনে ফাইনাল আয়োজনে রাজি নয় তারা।
বোর্ড সচিব, আইপিএল চেয়ারম্যান, গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা এদিন কথা বলেন দশটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে। সম্প্রচারকারী চ্যানেল ও স্পনসরদের সঙ্গেও দফায় দফায় চলে আলোচনা। ঠিক হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি শুরু করা হবে আইপিএল। ৯ মে লখনউয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচটি হয়নি। সেদিনই আইপিএল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই ম্যাচ দিয়েই সম্ভবত আবার শুরু হবে কোটিপতি লিগ। দলগুলির কাছে ক্রিকেটারদের ডেকে পাঠানোর নির্দেশও ইতিমধ্যে পৌঁছেছে। অর্থাৎ আগামী শুক্রবার বা শনিবারই খেলা চালু করতে বদ্ধপরিকর বোর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রীড়াসূচির কথা মাথায় রেখে দেরি করতে চাইছে না বিসিসিআই। এই আবহে গুজরাত টাইটান্স অনুশীলন শুরুও করে দিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে যে, চারটি ভেন্যুতে হবে বাকি ম্যাচগুলি। দিল্লি ও ধরমশালায় খেলা হওয়ার কার্যত সম্ভাবনা নেই। ওই দুই ভেন্যু থেকে ম্যাচ সম্প্রচারের জন্য যাবতীয় পরিকাঠামো সরানো হয়েছে। প্রথম কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর অবশ্য হায়দরাবাদেই হবে। ফাইনালের তারিখ সম্ভবত ১ জুন। আর ওদিনই কলকাতায় প্রবল ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা। তাই ফাঁকতালে ফাইনাল পেয়ে যেতে পারে আমেদাবাদ। তবে এসবই প্রাথমিক পরিকল্পনা। বোর্ডের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি এখনও। ফলে জল্পনা চলছেই।