


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডেডলাইন ১৫ নভেম্বর। তার মধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে জানিয়ে দিতে হবে পরের আইপিএলের জন্য তারা কোন কোন ক্রিকেটারকে রাখছে বা ছাড়ছে। এর ভিত্তিতেই হবে কোটিপতি লিগের মিনি নিলাম। গত দু’বার ক্রিকেটার কেনাবেচার আসর বসেছিল দুবাই ও জেড্ডায়। এবার ১৫ ডিসেম্বর দিল্লিতে নিলাম হতে পারে। তবে বিসিসিআই এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। যদিও ২৭ নভেম্বর রাজধানীতে ডব্লুপিএলের মেগা নিলাম হবে বলে জানা গিয়েছে।
নিলামের আগেই অবশ্য ক্রিকেটারদের দলবদল নিয়ে জোর চর্চা চলছে। ক্রিকেটীয় ভাষায় যাকে বলা হচ্ছে ‘ট্রেড ডিল’। অর্থাৎ সমমান ও সমমূল্যের ক্রিকেটারদের দলবদল। একটা সময় শোনা গিয়েছিল, লোকেশ রাহুলকে নিতে আগ্রহী কেকেআর। কিন্তু তাঁর বদলে দিল্লি ক্যাপিটালস দাবি করে সুনীল নারিনকে। আর বিকল্প প্রস্তাব, রাহুলের বিনিময়ে অঙ্গকৃশ রঘুবংশী ছাড়াও রিঙ্কু সিং কিংবা হর্ষিত রানার মধ্যে কোনও একজনকে দিতে হবে। কিন্তু সব প্রস্তাবই কার্যত নাকচ করে দেয় কেকেআর কর্তৃপক্ষ। আবার রোহিতকে নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল, যা এখন স্তিমিত। তবে কেকেআর বেশ কিছু ক্রিকেটারকে রিলিজ করে দিতে পারে। তার মধ্যে বেঙ্কটেশ আয়ারের নাম নিয়ে বেশি জল্পনা। রভম্যান পাওয়ালের উপরও আস্থা কমেছে শাহরুখ খানের দলের। গতবার ভালো পারফর্ম করতে পারেনি নাইট রাইডার্স। কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিষেক নায়ারকে। নতুন কোচের দিক নির্দেশেই দল ঢেলে সাজাতে চাইছে কেকেআর।
সম্প্রতি চেন্নাই সুপার কিংস জাদেজাকে ছেড়ে সঞ্জু স্যামসনকে নিতে আগ্রহী বলেও দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। আসলে জাড্ডু ও সঞ্জু দু’জনেই পান ১৮ কোটি। তাই ট্রেড ডিলে তাঁদের দল পরিবর্তন অনেক সহজেই সম্ভব। কিন্তু চেন্নাই সুপার কিংস তাতে রাজি হয় কিনা সেটাই দেখার। তাছাড়া ধোনি আরও একটা আইপিএলে খেলতে প্রস্তুত। পুরোনো বন্ধু জাদেজাকে অন্য দলের হাতে তিনি তুলে দিতে রাজি হবেন না বলেই মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের।