Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পরিদর্শনে মিলল অপরিষ্কার ড্রেন ও জঞ্জাল, ডেঙ্গু মশার চাষের পরিবেশ

রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেনিয়ায় ডেঙ্গুর আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

পরিদর্শনে মিলল অপরিষ্কার ড্রেন ও জঞ্জাল, ডেঙ্গু মশার চাষের পরিবেশ
  • ৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেনিয়ায় ডেঙ্গুর আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তাই ওই এলাকার সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে জানতে কাউন্সিলারকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শন করে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ। তাতে বেশ কিছু জায়গায় মশার লার্ভা মিলেছে। পাশাপাশি জঞ্জাল, অপরিষ্কার ড্রেন প্রভৃতিও পাওয়া গিয়েছে। এই অবস্থায় এলাকাকে সাফসুতরো রাখা জরুরি বলে পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্যবিভাগ।

Advertisement

এই ওয়ার্ডেই একাধিক বাসিন্দার জ্বর এবং দুই ডেঙ্গু আক্রান্তের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। তারপরই সোমবার সরজমিনে ওই এলাকা পরিদর্শন করা হয়। তারই রিপোর্ট পুরসভায় জমা পড়েছে। জানা গিয়েছে, এলাকা ঘুরে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা দু’জন জ্বরে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ পান। এছাড়াও সেখানে বেশ কিছু পাত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়, যেখানে প্রচুর ডেঙ্গু মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। ফাঁকা জমিতে জঞ্জাল ফেলা রয়েছে। বেশ কিছু ড্রেনও অপরিষ্কার অবস্থায় আছে। এসব দেখে পুরসভাকে একাধিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেমন নিয়মিত ড্রেন ও জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে, কোনওভাবে যাতে মশার বংশবৃদ্ধি না করতে পারে, তার জন্য প্রায়ই ওষুধ স্প্রে করতে হবে, যেখানে জমা জল সরানো যাবে না, সেখানে কেরোসিন অথবা পোড়া মোবিল স্প্রে করা যেতে পারে, কারও জ্বর হলেই ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার পরীক্ষা করানো আবশ্যিক প্রভৃতি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য আধিকারিক মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা পুরসভাকে নানা পরামর্শ দিয়েছি। আশা করছি, সঠিক পদক্ষেপ করলে ওই ওয়ার্ডে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কাউন্সিলার দেবব্রত মণ্ডলের বক্তব্য, আমরা যথাযথভাবে এলাকা সাফ রাখার চেষ্টা করছি। যেখানে লার্ভা পাওয়া গিয়েছিল, সেই পাত্রগুলি নষ্ট করেছি। বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। যাঁদের জ্বর হয়েছিল, তাঁরা ভালো আছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ