নয়াদিল্লি: ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার কমে হল ৬.৫ শতাংশ। বিগত চার বছরের মধ্যে বৃদ্ধির এই হার সর্বনিম্ন। মূলত উৎপাদন ক্ষেত্রের শ্লথ গতির জেরে এই ধাক্কা। শুক্রবার জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর (এনএসও) থেকে প্রকাশিত তথ্য থেকে একথা জানা গিয়েছে।
নয়াদিল্লি: ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির হার কমে হল ৬.৫ শতাংশ। বিগত চার বছরের মধ্যে বৃদ্ধির এই হার সর্বনিম্ন। মূলত উৎপাদন ক্ষেত্রের শ্লথ গতির জেরে এই ধাক্কা। শুক্রবার জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর (এনএসও) থেকে প্রকাশিত তথ্য থেকে একথা জানা গিয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশের অর্থনীতি ৯.২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এবার সেটাই কমে হল ৬.৫ শতাংশ। এদিন প্রকাশিত কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) বৃদ্ধির হার ৭.৪ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানও গত বছরের শেষ ত্রৈমাসিকের থেকে ১ শতাংশ কম।
সামগ্রিকভাবে ভারতীয় অর্থনীতির বহর বেড়ে হয়েছে ৩৩০.৬৮ লক্ষ কোটি টাকা বা ৩.৯ লক্ষ কোটি ডলার। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) পূর্বাভাস, চলতি বছরের শেষেই জাপানকে পিছনে ফেলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে (মোট জিডিপি হবে ৪.১৮ লক্ষ কোটি ডলার) পরিণত হবে। তবে সাফল্যের সেই হাতছানির মধ্যেই খোদ কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শ্লথ হয়েছে। মহামারী পরবর্তী আর্থিক পুনরুজ্জীবনের বছরগুলির থেকেও কম এবারের বৃদ্ধির হার। তবে পূর্বের বছরের (৫.৬ শতাংশ) তুলনায় ব্যক্তিগত কেনাকাটা এবার (৭.২ শতাংশ) বেড়েছে। খাদ্যদ্রব্যের দাম কমায় মূলত গ্রামীণ এলাকায় চাহিদা বেড়েছে। সেই কারণেই এই বৃদ্ধি। এছাড়া পূর্বের বছরের তুলনায় এবার উৎসবের মরশুমে খরচ করার প্রবণতা বৃদ্ধিও এর অন্যতম কারণ। আরও একটি ইতিবাচক বিষয় হল, পূর্বের বছরের তুলনায় (২.৭ শতাংশ) এবার কৃষিক্ষেত্রে বৃদ্ধির গতি বেড়েছে (৪.৬ শতাংশ)। যদিও এবার শ্লথ হয়েছে নির্মাণ ক্ষেত্র। গত বছরের তুলনায় এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১০.৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪ শতাংশ। আর সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে উৎপাদন ক্ষেত্রে। ১২.৩ শতাংশ থেকে এক ধাক্কায় বৃদ্ধির হার কমে হয়েছে ৪.৫ শতাংশ।