


ওয়াশিংটন: যৌন হেনস্তার বিস্ফোরক অভিযোগে বিদ্ধ মার্কিন সংস্থা জেপি মরগ্যান। সংস্থার প্রাক্তন কর্মী তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবকের দাবি, প্রাক্তন বস লরনা হাজদিনি দিনের পর দিন তাঁর উপর যৌন নির্যাতন চালিয়েছেন। তাঁর স্ত্রীর শারীরিক গঠন নিয়েও বিদ্রূপ করতেন লরনা।
প্রথমে সংস্থার কাছে, পরে আইনিভাবে অভিযোগ দায়ের করেন ওই যুবক। নিউ ইয়র্ক সুপ্রিম কোর্টে মামলা ওঠায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগকারীর দাবি, ওষুধ খাইয়ে যৌনতায় লিপ্ত হতে বাধ্য করতেন লরনা। অন্যথায় বেতন না বাড়ানোর হুমকি দিতেন। ২০২৪ থেকে লাগাতার এই নির্যাতন চলেছে। লরনা তাঁর স্ত্রীর শারীরিক গঠন সম্পর্কেও বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন। নিজের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর দেহের তুলনা করে অবমাননাকর মন্তব্য করতেন। অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, লরনা তাঁর এক্সিকিউটিভ পরিচয় ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়া অভিযোগকারীর ব্যক্তিগত তথ্য অ্যাক্সেস করতেন। যাতে তাঁর অবস্থান ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা যায়। কার্যত যৌনদাস বানিয়ে রাখা হয়েছিল বলেই অভিযোগ ওই যুবকের। যদিও জেপি মরগ্যানের তরফে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ওই যুবকের মাইনে বাড়ানোর অধিকার ছিল না লরনার। কর্মক্ষেত্রেও দু’জনের কাজের যোগ ছিল না বলেই দাবি মার্কিন সংস্থার। তবে বিষয়টা নিয়ে বিভিন্ন মহলে শোগরোল পড়েছে।