বেলফাস্ট: গৌতম গম্ভীরের জমানায় টেস্টের আসরে ভারতীয় ক্রিকেট নিত্যনতুন লজ্জা উপহার দিয়েছে। তাই বলে পছন্দের কুড়ি ওভারের ঘরানাতেও যে আয়ারল্যান্ডের কাছে ০-২ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হবে, তা অকল্পনীয়। অথচ, টি-২০ ফরম্যাটে কয়েক মাস আগেই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। সেই দলের ৯ জন ক্রিকেটার ছিলেন স্কোয়াডে। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে ছেঁটে ফেলে শ্রেয়স আয়ারের নেতৃত্বে নতুনভাবে যাত্রা শুরুই লক্ষ্য ছিল নির্বাচকদের। কে জানতে গম্ভীর-শ্রেয়স জুটি প্রথম সিরিজেই এভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে!
এই সিরিজে দুই ইনিংসেই ব্যর্থ সঞ্জু স্যামসন। অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মার ব্যাটে একটা করে পঞ্চাশ এলেও লাভ হয়নি। ঈশান কিষান ভুগছেন ধারাবাহিকতার অভাবে। ক্যাপ্টেন শ্রেয়সও রান পাননি। অধিনায়ক হিসেবেও তাঁকে দেখিয়েছে সাদামাটা। এই আবহে বৈভব সূর্যবংশীকে ডাগ-আউটে বসিয়ে রাখাও ব্যাখ্যাহীন। টিম ম্যানেজমেন্ট ১৫ বছর বয়সিকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করতে নারাজ। বরং আস্থা রাখতে চাইছে প্রতিষ্ঠিতদের উপর। আর তার ফল বেনজির ভরাডুবি। ভারতীয় শিবিরই এই পরাজয় মানতে পারছে না। সমর্থকরা তো রাগে ফুঁসবেই।
এটা ঠিক, ঘরের কন্ডিশনকে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়েছে আয়ারল্যান্ড। কিন্তু সেটা শ্রেয়সের বক্তব্যে অজুহাতের মতোই শুনিয়েছে। আইপিএলের রথী-মহারথীদের মুখে যা একেবারেই শোভা পায় না। তার উপর আয়ারল্যান্ডের প্রথম দলের অনেকেই এই সিরিজে ছিলেন না। হয়তো আত্মতুষ্টির কারণেই এভাবে হোয়াইটওয়াশ হতে হয়েছে আইরিশদের কাছে। ঘটনা যাই হোক, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজের আগে মোটেই স্বস্তিতে নেই টিম ইন্ডিয়া। বুধবার চেস্টার-লে-স্ট্রিটে সিরিজের প্রথম টি-২০। প্রশ্ন হল, তাতেও কি বৈভবকে বাইরে বসিয়ে রাখার মূর্খামি করবেন গম্ভীররা!