Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬

পাক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে বোকা বানাতে ডামি যুদ্ধবিমান পাঠায় ভারত

পাক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে বোকা বানাতে ডামি যুদ্ধবিমান পাঠায় ভারত
  • ১৮ মে, ২০২৫ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: ভারতের অপারেশন সিন্দুর ঠেকাতে নাকানিচোবানি খেয়েছিল পাকিস্তান। সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ভারতের এক কৌশলেই বোকা বনে যায় পাক সেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র উল্লেখ করে সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার ডামি যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই কৌশল বুঝতে পারেনি ইসলামাবাদ। ‘শত্রুপক্ষের’ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে এইচকিউ-৯ মিসাইল সিস্টেম সক্রিয় করে দেয় তারা। তাতেই পাক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের অবস্থান জেনে যায় ভারত। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই চলে অপারেশন সিন্দুর। তছনছ হয়ে যায় একের পর এক পাক বায়ুসেনা ঘাঁটি। 

Advertisement

সূত্রের খবর, এইচকিউ-৯ এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেমের লঞ্চার ও রেডার আলাদা আলাদা জায়গায় রেখেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। কয়েকটিকে অন্য স্থানেও মোতায়েন রাখা হয়েছিল। কিন্তু, ভারতের ডামি যুদ্ধবিমানকে সত্যি ভেবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করতেই তার অবস্থান প্রকাশ্যে চলে আসে। এরপরই পাকিস্তানি এয়ার বেস লক্ষ্য করে উড়ে যেতে থাকে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র। সূত্রের খবর উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা এএনআই আরও জানিয়েছে, ব্রহ্মস, স্কাল্প মিলিয়ে প্রায় ১৫টি মিসাইল ছোড়া হয়। তাতে পাক বায়ুসেনা ঘাঁটির এয়ারস্ট্রিপ, হ্যাঙ্গার, যোগাযোগ পরিকাঠামো সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। তাতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ইসলামাবাদ। আরও ক্ষয়ক্ষতির প্রহর গুনতে শুরু করে তারা। প্রাথমিকভাবে ভারতের প্রত্যাঘাতে নাস্তানাবুদ পাকিস্তানি বায়ুসেনা পাল্টা হামলারও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু, রাশিয়ান এস-৪০০, আকাশ এয়ার ডিফেন্স মিসাইলেই সব আটকে যায়। তাতেই আরও চাপে পড়ে যায় ইসলামাবাদ। ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি ডিজিএমও স্তরে আলোচনার বার্তা পাঠায় তারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম সীমান্ত পার অপারেশনে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার হল। মূলত ওয়েস্টার্ন ও সাউথ ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ড উপরই সামরিক প্রত্যাঘাতের দায়িত্ব ছিল।

সম্পর্কিত সংবাদ