নয়াদিল্লি: একের পর এক কর্মসূচি, প্রচারই সার! গোটা দেশজুড়ে বাল্যবিবাহের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও লজ্জার রেকর্ড গড়েছে বাংলা। ২০২৪ সালের স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমের (এসআরএস) পরিসংখ্যান বলছে বাল্য বিবাহে শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এরাজ্যে ৬.৩ শতাংশ কিশোরীই ১৮ বছর হওয়ার আগে বিয়ের পিঁড়িতে বসানো হয়। যা জাতীয় হারের প্রায় তিনগুন। অন্যদিকে ওই বছর দিল্লিতে বাল্যবিবাহের একটি ঘটনাও নথিবদ্ধ হয়নি। তথ্য বলছে, এদেশের প্রতি চারজন নারীর মধ্যে তিন জন (৭৩.৫ শতাংশ) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় ২১ বছরের বেশি বয়সে। ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সে বিয়ে করে দেশের ২৪.৫ শতাংশ যুবতী। অন্যদিকে বাল্যবিবাহের জাতীয় হার ২.১ শতাংশ। তবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও নাবালিকাদের বিয়ে দেওয়ার হার উদ্বেগজনক। বাংলায় এই হার ৬.৩ শতাংশ। কিছুটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ড। সেখানে বাল্যবিবাহের হার ৪.৯ শতাংশ। তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে থাকা ছত্তিশগড়, বিহার ও অসম। এই তিন রাজ্যে বাল্যবিবাহের হার যথাক্রমে ২.৯, ২.৮ ও ২.৬ শতাংশ। গ্রামীণ এলাকায় বাল্যবিবাহের পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রেও শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ (৫.৯)। এই ক্ষেত্রে জাতীয় হার ২.৪ শতাংশ। শহরাঞ্চলে এই পরিসংখ্যান আরও উদ্বেগজনক। গোটা দেশে শহরাঞ্চলে থাকা মহিলাদের মাত্র ১.১ শতাংশ ১৮ হওয়ার আগে বিয়ের পিড়িতে বসে। সেখানে বাংলায় এই পরিসংখ্যান ৭.৬ শতাংশ। পরিসংখ্যান বলছে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে দিল্লি (শূন্য)। তারপরেই কেরল (০.০৪), হিমাচল (০.৪), হরিয়ানা (০.০৭)। জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো ফল দক্ষিণের ২ রাজ্য তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকেরও। দুই রাজ্যেই বাল্যবিবাহের হার ০.০৮ শতাংশ।



