Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬

কীভাবে হরমুজ পেরচ্ছে ভারতীয় জাহাজ, জানাল কেন্দ্র

ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। এর জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত মেনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

কীভাবে হরমুজ পেরচ্ছে ভারতীয় জাহাজ, জানাল কেন্দ্র
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ইরান-আমেরিকা সংঘাতের আবহে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী। এর জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা গিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শর্ত মেনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। যে কোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তবে বিপদ সত্ত্বেও হরমুজ দিয়ে অবাধে যাতায়াত করছে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ। কীভাবে অসাধ্য সাধন করল নয়াদিল্লি? এবার সেই গোপন কৌশল প্রকাশ্যে আনল কেন্দ্র সরকার। 

Advertisement

শুক্রবার আন্তঃমন্ত্রক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন বন্দর মন্ত্রকের ডিরেক্টর অব শিপিং ওপেশকুমার শর্মা। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের উচ্চ পদস্থ কর্তারা। সেখানেই তিনি বলেন, হরমুজে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। ওপেশকুমারের বক্তব্য, ‘ইরানের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখছে ভারত। কিন্তু কীভাবে গোটা বিষয়টি পরিচালিত করা হচ্ছে, কীভাবে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হচ্ছে সে বিষয়ে কিছু বলব না। শুধু এটুকু বলতে চাই যে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে যাবতীয় কাজ করা হয়। এখানেই আমরা সীমাবদ্ধ। অগ্রাধিকারের বিষয়টি পেট্রলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস, সার সহ বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হয়। তার ভিত্তিতেই জাহাজ বের করে আনার চেষ্টা করি।’ ওপেশকুমারের দাবি, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীতে প্রায় ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার, পাঁচটি অপরিশোধিত তেলের ট্যাঙ্কার, একটি রাসায়নিক বা পণ্যবাহী ট্যাঙ্কার, তিনটি কন্টেনার জাহাজ, দু’টি বাল্ক ক্যারিয়ার ও একটি ড্রেজার।  বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জাহাজের গতিবিধির উপর নজর রাখছে দেশগুলি। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষও এই তথ্য দেখতে পাচ্ছেন। এর ফলে কি জাহাজের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে? উত্তরে ওপেশকুমার বলেন, ‘জাহাজের গতিবিধি নজরদারির এই অ্যাপগুলি সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক। টাকা দিলেই যে কোনো ব্যক্তি তা দেখতে পারেন।’ তথ্য অপব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এর উত্তর দেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনসমক্ষে থাকা তথ্য দু’ভাবে ব্যবহার করা যায়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উদ্দেশ্যের উপর তা নির্ভর করে। তবে এখন পর্যন্তএই অ্যাপগুলি আমাদের সাহায্য করছে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ