ভারত ৩২-৪ (৫ ওভার), জাপান ৩০-৩ (৫ ওভার)
ভারত ৩২-৪ (৫ ওভার), জাপান ৩০-৩ (৫ ওভার)
সানো (জাপান): জাপানের বিরুদ্ধে একমাত্র টি-২০ ম্যাচ মোটেও সুখের হল না শ্রেয়স আয়ারদের। মাত্র ২ রানে জিতল টিম ইন্ডিয়া। আউটফিল্ড ভিজে থাকায় ওভার সংখ্যা ২০ থেকে কমে দাঁড়ায় ৫। তাই লড়াইটা আরও কঠিন হয় ভারতের কাছে। দুই দেশের ৭৫ বছরের সম্পর্কের উদযাপন হিসেবে আয়োজন করা হয়েছিল এই ম্যাচটি। প্রথমবার বাইশ গজে মুখোমুখি হয়েছিল জাপান-ভারত। অনেকেই ভেবেছিলেন, অভিষেক শর্মারা অনায়াসেই জিতবেন। কিন্তু বাস্তবে তার উলটো ছবি ধরা পড়ল।
প্রথম ব্যাট করতে নামে টিম ইন্ডিয়া। অজ্ঞাতকুলশীল জাপানের ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে সঞ্জু, অভিষেকরা প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলবেন, সেটাই ছিল প্রত্যাশা। কিন্তু তাঁরা খুব একটা জুত করতে পারেননি। খাতা না খুলেই মাঠ ছাড়েন অভিষেক। সঞ্জুর সংগ্রহ ৯। মাত্র ৩ রান করে আউট হন ঈশান। একমাত্র ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার মন্দের ভালো। তাঁর সংগ্রহ ১৬। তিনটি অতিরিক্ত রানের সুবাদে ৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ভারত তোলে মাত্র ৩২ রান।
স্কোরবোর্ডই বলে দিচ্ছিল সানো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম বড় অঘটনের অপেক্ষায়। তবে ভারতের শক্তিশালী বোলিংয়ের বিরুদ্ধে এই রান তাড়া করে ইতিহাসে নাম লেখানো সামুরাইয়ের দেশের পক্ষে সহজ ছিল না। উইকেট ঢাকা থাকায় আর্দ্রতা ছিল বেশি। স্ট্রোক খেলা কঠিন হচ্ছিল। কারণ, স্পিনাররা পাচ্ছিলেন বাড়তি সুবিধা। সেই কারণে ভারতও অতিরিক্ত স্পিনার দিয়ে আক্রমণ সাজায়।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য জাপানের দরকার ছিল মাত্র আট রান। ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আয়ার পড়ে যান প্রবল চাপে। যতই হোক বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াই, হারলে যে সমালোচনার ঝড় বইবে সেটা তিনি ভালোই জানতেন। তাই পোড়খাওয়া অক্ষর প্যাটেলের হাতে বল তুলে দেন। প্রথম বলে কোনও রান হয়নি। দ্বিতীয় বলে সিঙ্গলস। তৃতীয় বল ওয়াইড। জমে ওঠে লড়াই। পরের বলেও বাঁ হাতি আলেকজান্দার শিরাই-পাটমোর রিভার্স সুইপ করতে চেয়েছিলেন। বলের নাগাল পাননি। আম্পায়ার ফের ওয়াইড কল করেন। তাতে বিরক্ত হন অক্ষর। ছুটে আসেন শ্রেয়স। তিনি রিভিউ কল করেন। শেষ পর্যন্ত বাতিল হয় ওয়াইড। বাকি তিনটি বলে সিঙ্গল নিয়ে জাপান থামে ৩০/৩-এ। মাত্র দু’রানে জিতে দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে ভারতীয় শিবির। এটি টিম ইন্ডিয়ার দুশোতম টি-২০ জয়ও।