নয়াদিল্লি: দেশের গ্রামীণ পরিবারগুলির উপার্জন বৃদ্ধি শ্লথ হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই সঙ্গেই রেকর্ড বেড়েছে মহাজনি ঋণ গ্রহণের প্রবণতা। নাবার্ডের গ্রামীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত সর্বশেষ সমীক্ষায় এই চিত্র ধরা পড়েছে।
নয়াদিল্লি: দেশের গ্রামীণ পরিবারগুলির উপার্জন বৃদ্ধি শ্লথ হয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই সঙ্গেই রেকর্ড বেড়েছে মহাজনি ঋণ গ্রহণের প্রবণতা। নাবার্ডের গ্রামীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত সর্বশেষ সমীক্ষায় এই চিত্র ধরা পড়েছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসের সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, ২৭.৭ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারগুলি আয় এক বছর আগের তুলনায় বেড়েছে। যদিও এক বছর আগে এই শতকরা হার ছিল আরও বেশি। আয় বৃদ্ধি হয়েছিল ২৯.৬ শতাংশ পরিবারের। গত বছর নভেম্বরে তা ছিল আরও বেশি— ৪২.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে নাবার্ড এধরনের সমীক্ষা প্রথমবার শুরু করেছিল। তার পর থেকে শতাংশের বিচারে এবছরই সবচেয়ে কম গ্রামীণ পরিবারের আয়বৃদ্ধি হয়েছে। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫২.৬ শতাংশেরই বক্তব্য, তাঁদের উপার্জনে কোনো পরিবর্তনই আসেনি। এই হিসাবটাও এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক। পাশাপাশি ১৯.৮ শতাংশ পরিবারের আয় কমেছে।
পাশাপাশি সামগ্রিক ঋণগ্রহণ হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও মহাজনি ঋণের উপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। শুধুমাত্র ব্যাংক বহির্ভূত উৎস বা মহাজনি ঋণ গ্রহণকারী পরিবারের হার বেড়ে ২৩.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। নাবার্ড সমীক্ষা শুরু করার পর থেকে চলতি বছরের এই পরিসংখ্যানই সর্বোচ্চ। তুলনামূলকভাবে, ৫১ শতাংশ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক ঋণের উৎসের উপর নির্ভরশীল ছিল। যেসব পরিবার কেবল অন্যান্য উৎসের উপর নির্ভর করে, তাদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বন্ধু ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল।