নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে দেশের বিচারব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ায় এনসিইআরটি। নবমের বইয়ে যাবতীয় বিতর্কে ইতি টেনেছে তারা। সমাজবিজ্ঞান বইয়ের নতুন সংস্করণে বিচারব্যবস্থাকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে দেশের বিচারব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ায় এনসিইআরটি। নবমের বইয়ে যাবতীয় বিতর্কে ইতি টেনেছে তারা। সমাজবিজ্ঞান বইয়ের নতুন সংস্করণে বিচারব্যবস্থাকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
গত মার্চ মাসে অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান বই নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল বইটির ‘দ্য রোল অব জুডিসিয়ারি ইন আওয়ার সোসাইটি’ শীর্ষক অধ্যায়। অভিযোগ, ওই অধ্যায়ে দেশের বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থার দুর্নীতি প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। এমনকি বলা হয়, এহেন দুর্নীতির জন্য দেশের সাধারণ মানুষের একটি অংশ ন্যায়বিচার থেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টাতে হস্তক্ষেপ করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের ধমকের পর শেষপর্যন্ত ওই বই প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চায় এনসিইআরটি। এরমধ্যে নবম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে বিচারব্যবস্থাকে স্পষ্টভাবে ‘নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসংক্রান্ত অধ্যায়ে বলা হয়েছে, বিচারবিভাগ নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করে। সংবিধানের মূল চেতনাকে অটুট রাখে। নতুন বইটিতে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন দায়িত্ব ও ভূমিকা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, বিচারব্যবস্থা অসাংবিধানিক আইন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। সংবিধান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষের অধিকার সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করে। নতুন বইটির ‘গণতন্ত্র’ শীর্ষক অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সকলের জন্য ন্যায়বিচারের সুযোগ নিশ্চিত করতে বিচারব্যবস্থা নানান ধরনের জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করে। যদিও এই নতুন পাঠ্যবইটি অষ্টম শ্রেণির বই নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার আগেই প্রস্তুত করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে।