নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি লক্ষ্য করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি চালানোর অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় যশোর রোড সংলগ্ন একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা চন্দ্রনাথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জানা যাচ্ছে, তাঁর মাথায়, বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। অন্যদিকে, গুরুতর জখম হয়েছেন গাড়ির চালকও। তাঁকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা বাইকে চেপে এসে একাধিকবার গুলি চালায়। অভিযুক্তদের মাথা কালো হেলমেটে ঢাকা ছিল। জানা গিয়েছে, ওই বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। সন্দেহ করা হচ্ছে অভিযুক্তরা বাংলাদেশি।
ইতিমধ্যেই অকুস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাসপাতালে আসেন রাজ্য পুলিশের ডিসি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে আপ্ত সহায়কের গাড়ির সামনে একটি ছোট গাড়ি এসে দাঁড়ায়। ওই গাড়ি দিয়ে রাস্তা আটকানো হয়। এরপর বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি ৮ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি করে। গুলিতে গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। গাড়ির সামনের সিটেই বসেছিলেন চন্দ্রনাথ। তিনটি গুলি লাগে তাঁর শরীরে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। আসেন শুভেন্দু অধিকারীও। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা রয়েছে। বর্তমানে চন্দ্রনাথের গাড়িটিকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। অকুস্থলে আসছে সিআইডি এবং এসটিএফ টিমও।