নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভিড়ে থিক থিক করছে বাজি বাজার। কেউ বাজারে আসছেন আতশবাজি কিনতে, কেউ বা ব্যাগ ভরতি বাজি নিয়ে ঘরমুখী। এক সময় বাজারের ঝোলা বা ব্যাগ হাতে বাজি কিনতে আসতেন মানুষজন। এখন সময় বদলেছে। বাজারের ঝোলা এখন অতীত। চম্পাহাটির হাড়ালের বাজি বাজারে ক্রেতাদের হাতে দেখা গেল ট্রলিব্যাগ, স্যুটকেস, রুকস্যাক। ভিড়ের মধ্যেই চাকা লাগানো ট্রলি টেনে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।
ট্রলি নিয়ে বাজি কিনতে এসেছেন গড়িয়ার বাসিন্দা অলোকেশ দাস। কেন ট্রলি নিয়ে এলেন, জিজ্ঞাসা করলে তাঁর জবাব, ভারী ব্যাগ হাতে বা কাঁধে নেওয়া কষ্টকর। তাছাড়া লম্বা বাজি হলে তা ব্যাগ থেকে বেরিয়ে থাকে। একবার পুলিশের নজর পড়লে ব্যাগ খুলে সব দেখতে চায়। অকারণে হয়রানি করে। ট্রলি বা স্যুটকেস হলে বাজি বেরিয়েও থাকে না, আবার টেনে নিয়ে যেতেও সুবিধা হয়। তাছাড়া স্যুটকেসে তুলনায় অনেকটা বাজি ধরে।
এতদিন বাজির দোকানগুলিতে বাজারের বড়ো বড়ো ব্যাগ ঝুলত। অনেকেই সেখান থেকে ব্যাগ কিনে বাজি ভরে বাড়ি ফিরতেন। এখন ক্রেতারা বেশি সতর্ক। পিঠের ব্যাগ তো আনছেনই, সঙ্গে থাকছে কাঁধের ঝোলা, স্যুটকেস। বাবার সঙ্গে হারালের বাজি বাজারে এসেছিলেন পায়েল সরকার। তাঁর হাতে মাঝারি আকারের ট্রলি। প্রচুর বাজি কিনলেন বাবা-মেয়ে। লিস্ট ধরে সেসব ট্রলিতে ভরলেন তাঁরা। পায়েলের কথায়, এই প্রথম বাজি কিনতে এসেছি। কাঁধে ভারী ব্যাগ নিয়ে হাঁটতে কষ্ট হয়। তাই ট্রলি নিয়ে এসেছি। বেলেঘাটা থেকে আসা এক দম্পতি ট্রলির পাশাপাশি বাজারের ঝোলায় করেও বাজি কিনে নিয়ে গেলেন। তাঁদের কথায়, জামাকাপড়ের থেকে অনেক বেশি বাজি ধরে ট্রলিতে। তাই নিয়ে এসেছি। সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন্ডেও বদল এসেছে চম্পাহাটির বাজি বাজারে।



