Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে সল্টলেকে দেড় কোটির প্রতারণা

ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে সল্টলেকে দেড় কোটির প্রতারণা
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) অফিসার পরিচয় দিয়ে সল্টলেকে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। বাঁকুড়ার ওই প্রতারিত ব্যবসায়ী বুধবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় দু’জন ভুয়ো ইডি অফিসারের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মুখোমুখি দেখা করে তিনি সল্টলেকে পুলিস কমিশনারের অফিসের বাইরে ওই বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছিলেন। অভিযুক্তরা ইডির বোর্ড লাগিয়ে একটি দামি গাড়িতে করে দেখা করতে এসেছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। অভিযুক্তের খোঁজও চলছে।

Advertisement

প্রতারিত ব্যাক্তির বাড়ি বাঁকুড়ার রবীন্দ্রসরণি এলাকায়। তিনি বালি খাদানের মালিক। অভিযোগ, ২০২৩ সালে তাঁর কাছে একটি ফোন এসেছিল। তাঁকে বলা হয়, বিধাননগরের ইডি অফিস থেকে ফোন করা হয়েছে। বেআইনি কারবারের জন্য তাঁর সম্পত্তি নাকি বাজেয়াপ্ত করা হবে। তারপর তাঁকে ফোন করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে শুরু করে ভুয়ো ইডি অফিসাররা। টাকা না দিলে হয়রানি করা হবে, এই ভয়ে ওই ব্যবসায়ী তাঁদের ফাঁদে পা দেন। ভুয়ো ইডি অফিসাররা তাঁকে ফোন করে সল্টলেকে ডেকে পাঠান। বাঁকুড়া থেকে তিনি সল্টলেকে আসেন।
ব্যবসায়ীর অভিযোগ, সল্টলেক স্টেডিয়ামের পাশে তাঁকে বিধাননগর পুলিস কমিশনারের অফিসের বাইরে আসতে বলা হয়। সেখানে দু’জন তাঁর সঙ্গে দেখা করে। ওই ব্যবসায়ী সেই সময় তাঁদের ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা নগদ দেন। কিন্তু, তারপরেও টাকার চাপ দিতে শুরু করে। এরপর ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত কয়েক দফায় তিনি অনলাইনে আরও ২০ লক্ষ টাকা পাঠান। মোট দেড় কোটি টাকা দিয়ে ফেলেন।অভিযোগ, সম্প্রতি আবার তাঁকে নানা অছিলায় সল্টলেক ডাকা হচ্ছিল। সিজিও কমপ্লেক্সেও তাঁকে আসতে বলা হয়। না এলে গ্রেপ্তারিরও ভয় দেখানো হয়। ফের টাকার চাপ দেওয়ার তিনি বুঝতে পারেন, কোনও প্রতারণা চক্রের শিকার হচ্ছেন। যেহেতু, পুলিস কমিশনারের অফিসটি বিধাননগর দক্ষিণ থানার অন্তর্গত, তাই ওই ব্যবসায়ী দক্ষিণ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ