নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নেপাল বিপর্যয়ের পর দুদিন কেটে গেলেও খোঁজ নেই পরিবারের স্বজনের। কারো স্ত্রী, কারো বোন এই নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন। তার মধ্যেই সামনে এসেছে একটি তথ্য। টুর অপারেটর দুজনসহ কলকাতার ৩০ জন পর্যটক যাঁরা মানসরোবর যাওয়ার জন্য নেপাল চীন সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন, তাঁদের কয়েকজন ঠিক কটা নাগাদ নেপাল চীন সীমান্তে ইমিগ্রেশন করেছিলেন, তার একটা তথ্য জানা গিয়েছে। সোনারপুরের নিখোঁজ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুণ্ডুর স্বামী শুভ্রজিৎ সিনহা রায়ের দাবি, তাঁর স্ত্রী সকাল ৮.০৮ মিনিটে ইমিগ্রেশন চেক করেছিলেন। প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়ের ইমিগ্রেশন হয়েছে ৮টা ২৭ মিনিটে। সুস্মিতা ভট্টাচার্য নামে আরেক পর্যটকের সেই কাজ হয়েছিল ৮টা ১৪ মিনিটে। নেপাল দূতাবাস সূত্রে এমনটা জানতে পেরেছি। ফলে আমাদের ধারণা, চীনের ভিতরে প্রবেশ করে গিয়েছেন পর্যটকরা। ফলে সেখানকার দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা গেলে তাঁদের নিয়ে আরো তথ্য পাওয়া যাবে। এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে এখনো আশায় বুক বাঁধছে পরিবারের লোকজন। ওই ৩০ জনের পর্যটক দলের বেশিরভাগই তাঁদের বাড়ির লোকজনের শেষ কথা বলেছেন বুধবার সকালে। বিপর্যয় নেমে আসার সময় আনুমানিক সকাল ৯টা। তার আগে যাঁরা ইমিগ্রেশন শেষ করে ফেলেছিলেন, সেই বিধ্বংসী হড়পা বানের গ্রাস থেকে তাঁরা নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে পেরেছিলেন কি না, সেটাই এখন প্রশ্ন।



