Bartaman Logo
১৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

চুনী-জার্নেলদের কথা এখন খুব মনে পড়ছে

বেঙ্গালুরুর ইন্দিরা নগরের ছোট্ট বাড়িই আমার বার্ধক্যের বারাণসী। চারদিকে সবুজে সবুজ। ভরদুপুরে পাড়া আরও শান্ত।

চুনী-জার্নেলদের কথা এখন খুব মনে পড়ছে
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরুর ইন্দিরা নগরের ছোট্ট বাড়িই আমার বার্ধক্যের বারাণসী। চারদিকে সবুজে সবুজ। ভরদুপুরে পাড়া আরও শান্ত। লাঞ্চের পর বিশ্রাম নেওয়ার ফাঁকেই ছেলে ক্রিস্টোফার দৌড়ে এল। বেশ উত্তেজিত। ওর কাছেই শুনলাম, লাইফটাইম অর্জুন সম্মানে আমায় ভূষিত করা হবে। বুঝতে একটু সমস্যা হয়। বয়স ৮৭ ছুঁইছুঁই! স্মৃতিও ধূসর। তবে এশিয়াড আর মোহন বাগান আজও মন্ত্রের কাজ করে। কত স্মৃতি, কত কথা। এমন দিনে সতীর্থদের কথা বড্ড মনে পড়ছে। আমার চুনী, জার্নেল— কোথায় হারিয়ে গেল ওরা! সেই মোহন বাগান! লিগের ম্যাচে দর্শক ঠাসা গ্যালারি। জিতলে অনুরাগীর দল মাথায় করে রাখে। মোহন বাগানই আমার মন্দির। নাম শুনলেই মন হু হু করে ওঠে। খবর পাওয়ার পরেই মোহন বাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত ফোন করে অভিনন্দন জানালেন। কলকাতার মানুষ ওদের ‘বেবি ট্যাক্সি’কে এখনও মনে রেখেছে! চোখ জলে ভরে ওঠে। 

Advertisement

১৯৬২ সাল। জাকার্তা এশিয়াড। ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ন। গ্রেট পিকে ছাড়াও গোল করেছিল জার্নেল। রহিম সাহেবের দল নিয়ে সবার মুখে আলোচনা। এভারেস্টের উচ্চতায় তিনি পৌঁছে দিয়েছিলেন ভারতীয় ফুটবলকে। দুঃখ একটাই, সেই ভারতে এখন ফুটবলই নিভু নিভু। আরও একটা ঘটনা বলতেই হয়। সেবার এশিয়াড থেকে দেশে ফেরার পর  রাষ্ট্রপতি ভবনে একটা চা-চক্রের আয়োজন করা হয়েছিল । এক কাপ চা, দুটো বিস্কুট! ব্যাস, ওইটুকুই। আজ এত বছর পর সরকারি স্বীকৃতি পেয়ে অভিমান ঘুচল অনেকটাই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ