বেঙ্গালুরুর ইন্দিরা নগরের ছোট্ট বাড়িই আমার বার্ধক্যের বারাণসী। চারদিকে সবুজে সবুজ। ভরদুপুরে পাড়া আরও শান্ত। লাঞ্চের পর বিশ্রাম নেওয়ার ফাঁকেই ছেলে ক্রিস্টোফার দৌড়ে এল। বেশ উত্তেজিত। ওর কাছেই শুনলাম, লাইফটাইম অর্জুন সম্মানে আমায় ভূষিত করা হবে। বুঝতে একটু সমস্যা হয়। বয়স ৮৭ ছুঁইছুঁই! স্মৃতিও ধূসর। তবে এশিয়াড আর মোহন বাগান আজও মন্ত্রের কাজ করে। কত স্মৃতি, কত কথা। এমন দিনে সতীর্থদের কথা বড্ড মনে পড়ছে। আমার চুনী, জার্নেল— কোথায় হারিয়ে গেল ওরা! সেই মোহন বাগান! লিগের ম্যাচে দর্শক ঠাসা গ্যালারি। জিতলে অনুরাগীর দল মাথায় করে রাখে। মোহন বাগানই আমার মন্দির। নাম শুনলেই মন হু হু করে ওঠে। খবর পাওয়ার পরেই মোহন বাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত ফোন করে অভিনন্দন জানালেন। কলকাতার মানুষ ওদের ‘বেবি ট্যাক্সি’কে এখনও মনে রেখেছে! চোখ জলে ভরে ওঠে।



