এক অফিস কলিগ ঘোরতর ইস্ট বেঙ্গল সমর্থক। ডার্বির টেনশনে তার ঘুম উবে যাওয়ার জোগাড়। এটাই বড় ম্যাচের আবেগ। বাংলার পাড়ায় পাড়ায় ফুটবল যুদ্ধ। ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাই না। কারণ, ডার্বি মানেই কলজের ম্যাচ। নব্বই মিনিটের ধুন্ধুমার লড়াই। গুয়াহাটিতে ফেডারেশন কাপ সেমি-ফাইনালের আগে প্রায় সবাই মোহন বাগানকে এগিয়ে রেখেছিলেন। ম্যাচের ফল সবারই জানা। ইয়াকুবু, ওপারাদের চোখে সেদিন আগুন দেখেছিলাম। ইয়াকুবুর লক্ষ্যভেদের পর বাইচুংয়ের পাস ধরে ব্যবধান বাড়াই আমি। গোলের পর ফেন্সিংয়ের উপর দাঁড়িয়ে বাইচুংয়ের উচ্ছ্বাস ভোলার নয়। ডার্বি জিততে এমনই স্পিরিট চাই। শনিবারও পরিস্থিতি অনেকেটা একইরকম। প্রবল চাপে ইস্ট বেঙ্গল। সমর্থকরাও মনমরা। কঠিন সময়ে দায়িত্ব নেওয়া উচিত শৌভিকদের। চোখে চোখ রেখে লড়াই করুক ওরা।
Advertisement
একগাদা চোট-আঘাতে বিপর্যস্ত ইস্ট বেঙ্গল। বিশেষ করে আনোয়ারের না থাকা বড় ধাক্কা। প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বুদ্ধি করে পরিকল্পনা করুন অস্কার। হিজাজি আর হেক্টর দুজনেই বেশ শ্লথ। হাইলাইন ডিফেন্স করা চলবে না। সেটা হলে ভরাডুবি অবশ্যম্ভাবী। পাশাপাশি জমাট রাখতে হবে মাঝমাঠ। স্পেস পেলে লিস্টন, স্টুয়ার্টরা রাজত্ব করবে। তাই ক্লোজ মার্কিং চাই।



