নয়াদিল্লি: গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হল ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নামে। বৃহস্পতিবার সর্বসম্মতভাবে এই নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত (আইসিসি)। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী নানান কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে। তিনি একা নন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে ইজরায়েলের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধেও।
Advertisement
চলতি বছর মে মাসেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছিল। তবে এদিন সেব্যাপারে সর্বসম্মত রায় দিয়েছে নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত আইসিসির তিন বিচারপতির প্যানেল। পর্যবেক্ষণে বিচারপতিরা বলেছেন, যুদ্ধের ‘অস্ত্র’ হিসাবে অনাহারকে ব্যবহার করেছেন ইজরায়েলি রাষ্ট্রনায়ক। গাজায় খাদ্য, জল ও ওষুধের মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ আটকে দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে শিশু সহ বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। টানা ১৩ মাস ধরে গাজার মানুষদের সঙ্গে যে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, তার জন্যই নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারির এই নির্দেশ। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ইজরায়েল। আইসিসির নির্দেশকে ‘ইহুদি বিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘আইসিসি যে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে, তা অযৌক্তিক। এই পদক্ষেপ মানবে না ইজরায়েল।’
গত বছর অক্টোবরে ইজরায়েলে হামলার অভিযোগে হামাস প্রধান মহম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে গত আগস্টে তার মৃত্যুর নিশ্চিত করেছে ইজরায়েল। বিষয়টি নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। তবে হামাসের অন্যতম নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও ইসমাইল হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন খারিজ করেছে আইসিসি।
গত বছর অক্টোবরে ইজরায়েলে হামলার অভিযোগে হামাস প্রধান মহম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে গত আগস্টে তার মৃত্যুর নিশ্চিত করেছে ইজরায়েল। বিষয়টি নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। তবে হামাসের অন্যতম নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও ইসমাইল হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন খারিজ করেছে আইসিসি।



