Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

হাত বাড়ালেই বন্ধু

বর্তমান সময়ে পেশাগত ইঁদুর দৌড়ে ব্যস্ত সকলে। ব্যতিক্রম নন টলিউডের কলাকুশলীরাও। তাঁদের চোদ্দো ঘণ্টা শুটিংয়ের পাহাড় প্রমাণ চাপ থাকে।

হাত বাড়ালেই বন্ধু
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১২
Prefer us on Google

বর্তমান সময়ে পেশাগত ইঁদুর দৌড়ে ব্যস্ত সকলে। ব্যতিক্রম নন টলিউডের কলাকুশলীরাও। তাঁদের চোদ্দো ঘণ্টা শুটিংয়ের পাহাড় প্রমাণ চাপ থাকে। কর্মক্ষেত্রের চাপ অনেক সময় মনের ওজনও বাড়িয়ে দেয়। তাতে মানসিক শান্তি বিঘ্নিত হয়। কিন্তু, কলাকুশলীদের মনের খবর রাখা হয় না। দিন কয়েক আগেই টলিউডের এক টেকনিশিয়ানের আত্মহত্যা ভাবিয়েছে সকলকে। তাই কলাকুশলীদের মনের ‘স্বাস্থ্য’ ভালো রাখার মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে ফেডারেশন। 

Advertisement

সম্প্রতি ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস ‘মনের বন্ধু ফেডারেশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সব বাংলা ধারাবাহিকের ফ্লোরে উপস্থিত হয়ে কলাকুশলীদের মনের কথা শোনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সে কথা রেখেছে ফেডারেশন। ঘোষণার সাত দিনের মধ্যেই স্টার জলসার ধারাবাহিক ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ এবং ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’-এর সেটে উপস্থিত হন ‘মনের বন্ধু’ ফেডারেশনের টিমের সদস্যরা। তাঁদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলেন টেকনিশিয়ানরা। এ প্রসঙ্গে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’র নায়িকা স্বস্তিকা দত্ত বলেন, ‘ফেডারেশনের এই মানবিক উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মন ভীষণ স্পর্শকাতর হয়। তারও যত্নের প্রয়োজন। ফেডারেশন সবসময় আর্টিস্ট এবং টেকনিশিয়ানদের পাশে আছে। ফেডারেশন কলাকুশলীদের স্বাস্থ্যের কথাও ভেবেছে। আমাদের ফ্লোর থেকেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে বলে আরও ভালো লাগছে।’
এ বিষয়ে ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের যাত্রা ‘পরশুরাম’ এবং ‘বিদ্যা ব্যানার্জি’ ধারাবাহিকের সেট থেকে শুরু হল। আমাদের ইচ্ছে প্রত্যেকটা ধারাবাহিকের সেটেই আমরা এই কর্মশালার আয়োজন করব। ভবিষ্যতে ওটিটি এবং সিনেমার শ্যুটিং ফ্লোরেও আমাদের হাজির হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। ফেডারেশন সবসময় কলাকুশলীদের পাশে রয়েছে।’
পরশুরাম ধারাবাহিকের ‘তটিনী’ তথা অভিনেত্রী তৃণা সাহাও এই কর্মশালার বিষয়ে উচ্ছ্বসিত। তাঁর কথায়, ‘আমরা কাজের চাপে মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে সত্যিই ভুলে যাই। ফেডারেশনের এই অসাধারণ মানবিক উদ্যোগে অনেকের উপকার হবে।’ ফেডারেশনের কর্মসূচি সবে শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি মনোবিদের সঙ্গে প্রতি কলাকুশলীর মুখোমুখি কথা বলারও ব্যবস্থা করা হয় খুব ভালো হবে।’ সে ব্যবস্থা কি করবে ফেডারেশন? স্বরূপের উত্তর, ‘আমাদের দু’ঘণ্টার সেশন হয়। এরপরেও কেউ চাইলে আমাদের ই-মেল করতে পারেন। আমরা যথাসাধ্য সাহায্য করব। প্রয়োজনে পি.জি হাসপাতালে গিয়ে ‘ইনস্টিটিউট অফ সাইকায়াট্রি’-এর মনোবিদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তবে ফেডারেশন এই বিষয়টি বিবেচনা করবে। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে ভবিষ্যতে ফ্লোরেই মুখোমুখি কথা বলার ব্যবস্থা করা যায় কি না তার চেষ্টা করব।’
পূর্বাশা দাস

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ