Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘একসঙ্গে থাকলে সমস্যার সমাধান এমনিই হবে’, একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ

মুক্তির অপেক্ষায় পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তারকাকু’। তার আগে একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

‘একসঙ্গে থাকলে সমস্যার সমাধান এমনিই হবে’, একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রসেনজিৎ
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুক্তির অপেক্ষায় পাভেল পরিচালিত ‘ডাক্তারকাকু’। তার আগে একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

• ‘ডাক্তারকাকু’ কী বার্তা দেবে? 
•• পুরনো ঘরানার পরিপাটি বাংলা ছবি। পাভেল যত্ন নিয়ে বানিয়েছে। ভীষণ প্রাসঙ্গিকও। বার্তা একটাই, সঠিক পরিকাঠামোর অভাবে সাধারণ মানুষ অনেক সময় প্রয়োজনীয় ডাক্তারের কাছে পৌঁছাতে পারে না। সেই মানুষগুলোর কাছে ডাক্তারদের যাওয়া উচিত। 
• তাহলে ‘ডাক্তারকাকু’ কে?
•• একজন আদর্শবান ডাক্তার। এই চরিত্রটায় ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের ছোঁয়া রয়েছে। অভিনয় করতে রাজিও হয়েছি সেই কারণে। বিধানবাবুর রাজনৈতিক দিকটা বাদ দিলে তিনি তো একজন ম্যাজিকাল ডক্টর ছিলেন। সব রকমের পেশেন্ট দেখতেন। উনি মানুষের কাছে ঈশ্বরতুল্য ছিলেন।
• এখন এই ধরনের সহানুভূতিশীল ডাক্তারবাবুরা কোথায়?
•• আমার বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতদের মধ্যে এমন অনেক প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার আছেন, যাঁরা বহু সামাজিক দায়িত্ব পালন করেন। এই ছবি ডাক্তারবাবুদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলে না। বলে সিস্টেমের গলদ নিয়ে।  
• আপনাকে কখনো গলদভরা সিস্টেমের শিকার হতে হয়েছে?
•• আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনো শিকার হইনি। তবে ইন্ডাস্ট্রির কিছু ক্ষেত্রে উঁচু মহলে গিয়ে কথা বলতে হয়েছে। না হলে সেই অসুস্থ মানুষটার সংসার ভেসে যেত। চিকিৎসা করাতে রোগী সর্বস্বান্ত হল, সেটাও কাম্য নয়। 
• প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তো ইন্ডাস্ট্রির ‘ডাক্তারকাকু’! পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আপনার প্রেসক্রিপশন?
•• আমরা যদি একসঙ্গে থাকি অনেক সমস্যার সমাধান এমনিই হয়ে যাবে। সম্প্রতি ‘শতবর্ষে মহানায়ক’ উদযাপন অনুষ্ঠানে আমি, দেব, জিৎ, যিশু, রুদ্র সবাই মিলে যে বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছি, আমরা সবাই মিলে ইন্ডাস্ট্রি। কোনো নিষেধাজ্ঞা নয়, ফতোয়া নয়। দরকার স্বতঃস্ফূর্ততা আর সহাবস্থান।
• উদযাপনে শর্মিলা ঠাকুর, তনুজা, মালা সিনহা, অপর্ণা সেন, মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়, ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়দের পাওয়া গেল না কেন?
•• মালা আন্টি, তনুজা আন্টির এতদূর আসার মতো শারীরিক ক্ষমতা নেই। ভিক্টরের পায়ে ব্যান্ডেজ। সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম।  অনেকেরই আগে থেকে কাজের পরিকল্পনা ছিল। এবার পারলেন না। যাঁরা পেরেছেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছেন। কে বলবে, আমার বাবার নব্বই বছর বয়স! বাবা সেই যৌবনের দিনগুলোয় ফিরে গিয়েছিলেন (হাসি)। 
প্রিয়ব্রত দত্ত

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ