লখনউ: লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর ন’টি বিধানসভা আসনের উপ নির্বাচন ছিল উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারের কাছে কার্যত অগ্নিপরীক্ষা। ভোট গ্রহণের দিন ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার ভোটের ফলে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে গেরুয়া শিবির। এমনকী সংখ্যালঘু বহুল কুন্দারকি আসনও গিয়েছে পদ্ম শিবিরের দখলে। এই অপ্রত্যাশিত ফলের জন্য ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে সমাজবাদী পার্টি (সপা)। ভোটে বেনিয়ম নিয়ে সরব বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও। ইভিএমে কারসাজির অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়েছেন। সেইসঙ্গে বড়সড় সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছেন দলিত নেত্রী। তাঁর ঘোষণা করেছেন, কমিশন ‘ভুয়ো’ ভোট বন্ধ না করা পর্যন্ত তাঁর দল আর কোনও উপ নির্বাচনে অংশ নেবে না।
Advertisement
উপ নির্বাচনে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে বিএসপিকে। এব্যাপারে মায়াবতী বলেছেন, ভোটে সরকারি মেশিনারিকে কারচুপির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এজন্যই তিনি উপ নির্বাচন বয়কটের কথা জানিয়েছেন। এদিকে, কুন্দারকি আসনে ভোটারদের বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ জানিয়েছিল সপা।
এদিন, রিগিংয়ের প্রতিবাদ জানাতে রবিবার লখনউ যাচ্ছিলেন সপা কর্মীরা। মাঝপথেই গাড়ি থামিয়ে ৩৫ জন সপা কর্মী-সমর্থককে আটক করে পুলিস। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিয়েছেন সপা নেতা অখিলেশ যাদব। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় সপা সুপ্রিমো বলেছেন ‘কুন্দারকিতে বহু মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদ জানাতেই সেখানকার লোকজন লখনউ আসছিলেন। আর এতে বিজেপির বেনিয়মের বিষয়টি বেআব্রু হয়ে যেত। সেজন্য পুলিস দিয়ে মাঝপথে তাদের আটকানো হয়েছে। ন্যায়বিচার চেয়ে রাষ্ট্রপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
প্রসঙ্গত, কুন্দারকি থেকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৯১ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন বিজেপির রামবীর সিং। এখানে ৬২ শতাংশ সংখ্যালঘু থাকা সত্ত্বেও কীভাবে রামবীর বাজিমাত করলেন, তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই আসনে এর আগে ১৯৯৩ সালে জিতেছিল বিজেপি। সাংবাদিক বৈঠকে মায়াবতী।
এদিন, রিগিংয়ের প্রতিবাদ জানাতে রবিবার লখনউ যাচ্ছিলেন সপা কর্মীরা। মাঝপথেই গাড়ি থামিয়ে ৩৫ জন সপা কর্মী-সমর্থককে আটক করে পুলিস। এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিয়েছেন সপা নেতা অখিলেশ যাদব। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় সপা সুপ্রিমো বলেছেন ‘কুন্দারকিতে বহু মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদ জানাতেই সেখানকার লোকজন লখনউ আসছিলেন। আর এতে বিজেপির বেনিয়মের বিষয়টি বেআব্রু হয়ে যেত। সেজন্য পুলিস দিয়ে মাঝপথে তাদের আটকানো হয়েছে। ন্যায়বিচার চেয়ে রাষ্ট্রপতি, সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
প্রসঙ্গত, কুন্দারকি থেকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৯১ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন বিজেপির রামবীর সিং। এখানে ৬২ শতাংশ সংখ্যালঘু থাকা সত্ত্বেও কীভাবে রামবীর বাজিমাত করলেন, তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই আসনে এর আগে ১৯৯৩ সালে জিতেছিল বিজেপি। সাংবাদিক বৈঠকে মায়াবতী।



